আদি সত্যের পাশ দিয়ে একটি নদী বইছিল
আমি সামান্য মানুষ, নদীকে বললাম, থামো
আর দেখো, উতরোল জলস্রোতে
কাঁপতে কাঁপতে নিশ্চল সত্য
কত অনায়াসে ডুবে গেল।
নিমজ্জিত সত্যের ওপর এখন কালান্তক
ঢেউয়ের বুদবুদ। পাখি উড়ছে
কোয়াক কোয়াক করে ডাকছে।
একটি যাযাবর হাঁস। একটি মাঝি
পালের দড়িছড়া ঠিক করতে করতে
গাইল ‘মনমাঝি তোর বৈঠা নেরে
আমি আর বাইতে পারলাম না।’
দেখলাম
বানের জল এমন ঘোলা যে,
হারিয়ে যাওয়া নাকফুলের হদিস করতে
আজ আর কেউ নদীতে নামবে না।
Related Articles
আমি কেবলি স্বপন করেছি বপন
আমি কেবলি স্বপন করেছি বপন বাতাসে— তাই আকাশকুসুম করিনু চয়ন হতাশে। ছায়ার মতন মিলায় ধরণী, কূল নাহি পায় আশার তরণী, মানসপ্রতিমা ভাসিয়া বেড়ায় আকাশে। কিছু বাঁধা পড়িল না শুধু এ বাসনা- বাঁধনে। কেহ নাহি দিল ধরা শুধু এ সুদূর সাধনে। আপনার মনে বসিয়া একেলা অনলশিখায় কী করিনু খেলা, দিনশেষে দেখি ছাই হল সব হুতাশে। আমি […]
আমার পতাকা
ওই তো আমার পতাকা উড়ছে স্বাধীনতার সবুজের মাঝে লাল সূর্যের আলোর ধার শ্যামল কোমল শস্যের রঙ মাতায় মন তার মাঝে গোল আলোর গোলক, বয় পবন বাতাসে ছড়ায় আশার সুরভী ভাষার গান আমরা গাইবো মিলিত কণ্ঠে স্বাধীন প্রাণ দিক বিজয়ের সুর ঝংকারে কাঁপে ঈশান তার মাঝে আজ ছড়িয়ে পড়–ক এই নিশান আমাদের পথ আমাদের মত দেখায় […]
একি অমঙ্গল
তোমার হাতে ছুঁচ-সুতোটি আমার হাতে ফুল দেখতে পেয়েই আকাশ জুড়ে হিংসা হুলুস্থুল। তোমার হাতে রঙের বাটি আমার হাতে তুলি দেখতে পেয়েই শুকনো মড়া চোখে জ্বালায় চুলি। তোমার হাতে ধান-দুর্বো আমার হাতে শাঁখ দেখতে পেয়েই আকাশ চিরে শকুন পাড়ে হাঁক। তোমার হাতে জলের ঘাট আমার ঠোঁটে জল দেখতে পেয়েই দৈববাণী: এ কি অমঙ্গল! Eki Omongol

