লেবুর পাতার ঘ্রাণে জব্দ তুমি,
করলব্ধ, নাবালিকা ভুমি;
যেতে যেতে ফিরে আসো,
ভালোবাসো সর্বনাশও,
তুমি ঘূর্ণি-রুমি;
হে গর্ভিনী জলাঙ্গিনী,
স্বরস্বতী দুগ্ধবতী,
মা-দুর্গা ওলান –
রেখেছি অমৃতে মুখ,
জন্মে-জন্মে সর্বভূক,
সতৃষ্ণ পরাণ।
দাও শস্য, দাও জল,
আকাশগঙ্গায় খল
নক্ষত্রের ঢল,
জোনাকি বধুর মুখ,
জন্মে-জন্মে সর্বভূক,
পিপাসা অমল।
যাই দূরে যাই,
গোলাবাড়ি ছেড়ে যাই,
শস্যমুখে যাই,
ওরে, উড়ে উড়ে যাই।
Related Articles
আদি সত্যের পাশে
আদি সত্যের পাশ দিয়ে একটি নদী বইছিল আমি সামান্য মানুষ, নদীকে বললাম, থামো আর দেখো, উতরোল জলস্রোতে কাঁপতে কাঁপতে নিশ্চল সত্য কত অনায়াসে ডুবে গেল। নিমজ্জিত সত্যের ওপর এখন কালান্তক ঢেউয়ের বুদবুদ। পাখি উড়ছে কোয়াক কোয়াক করে ডাকছে। একটি যাযাবর হাঁস। একটি মাঝি পালের দড়িছড়া ঠিক করতে করতে গাইল ‘মনমাঝি তোর বৈঠা নেরে আমি আর […]
বাতাসের ফেনা
কিছুই থাকে না দেখো, পত্র পুষ্প গ্রামের বৃদ্ধরা নদীর নাচের ভঙ্গি, পিতলের ঘড়া আর হুকোর আগুন উঠতি মেয়ের ঝাঁক একে একে কমে আসে ইলিশের মৌসুমের মতো হাওয়ায় হলুদ পাতা বৃষ্টিহীন মাটিতে প্রান্তরে শব্দ করে ঝরে যায়। ভিনদেশী হাঁসেরাও যায় তাদের শরীর যেন অর্বুদ বুদ্বুদ আকাশের নীল কটোরায়। কিছুই থাকেনা কেন? করোগেট, ছন কিংবা মাটির দেয়াল […]
কী আনন্দ
একটি পাখি ডাকছে একা শরৎকালে কী নাম যে তার কেমনে বলি এই সকালে! ঘুম ভাঙা রোদ ছড়িয়ে পড়ে হলুদ বরণ ডাক দিয়েছে হাঁক দিয়েছে জীবন-মরণ। পাখির পিছে ঘুরতে গিয়ে কাঁপছি আমি, কাঁপছে ডানা নেই ঠিকানা, কোন দিকে যাই একটু দাঁড়াই— হাত বাড়ালে ধরতে কি পাই আঁচল তোমার? ফুলের গন্ধে প্রাণ মাতানো গানের কলি উপচে ওঠে… […]

