আদি সত্যের পাশ দিয়ে একটি নদী বইছিল
আমি সামান্য মানুষ, নদীকে বললাম, থামো
আর দেখো, উতরোল জলস্রোতে
কাঁপতে কাঁপতে নিশ্চল সত্য
কত অনায়াসে ডুবে গেল।
নিমজ্জিত সত্যের ওপর এখন কালান্তক
ঢেউয়ের বুদবুদ। পাখি উড়ছে
কোয়াক কোয়াক করে ডাকছে।
একটি যাযাবর হাঁস। একটি মাঝি
পালের দড়িছড়া ঠিক করতে করতে
গাইল ‘মনমাঝি তোর বৈঠা নেরে
আমি আর বাইতে পারলাম না।’
দেখলাম
বানের জল এমন ঘোলা যে,
হারিয়ে যাওয়া নাকফুলের হদিস করতে
আজ আর কেউ নদীতে নামবে না।
Related Articles
মেধাবী নাবিক তুমি
রচুর চোখের জল, মগজেও মাতাল জাহাজ, বেহেড বাতাস খুব পরামর্শ দিয়ে বেসামাল করতে চাইছে এই কলমের নিবটিকে আজ- এর মধ্যে কোথায় শব্দের মাল্লা ওড়াবে যে পাল? তবু কি নিস্তার আছে? অচিরেই উঠবে যে ঝড় সে বিষয়ে আমি ছাড়া কে আর নাবিক এই স্থলে? কবেই উৎসন্ন গ্রাম, কলেরায়- বসন্ত তৎপর তদুপরি! ডাকে দূর সমুদ্রটি কলকলকলে। অতএব […]
আবহমান ভগ্নী-ভ্রাতা
ডাইনে বাঁয়ে দুইদিকে দুই বাংলা আমার আপন স্বজন দুজন মাতা। ভালোবাসার সাঁকোর ওপর পা টলমল পা টলমল পা বাড়ালেই পদ্মা নদী হাত বাড়ালেই পদ্ম পাতা এবার পাবো। আজান-বাজান ভাটিয়ালীর কন্ঠনালীর ছন্দগাথা প্রবহমান নদীনালায় গুনতে যাবো। পাঁজর পোড়া গর্ত খোঁড়া হাটের মাঠের ঘরের ঘাটের সব দরজা জানলা খুলে খুঁজতে যাবো অগ্নিবরণ ভোরবেলাতে আমরা কজন আবহমান ভগ্নি-ভ্রাতা। […]
কেতকীর জন্য
কবিতা লেখার জন্যে ছুটি চাই। দিল্লিতে পছন্দ মতো সরকার চাই। আয়করে বেশি করে ছাড় চাই। সপ্তাহে সপ্তাহে চাই দূরভাষে ছেলের বচন। চাই শীত দীর্ঘ হোক শেষ রাতে মধুর স্বপন। বৃষ্টি হোক মধ্যরাতে ধান হোক পান হোক স্বাগত সন্ধ্যায় ৬৫ ডেসিবলে গান হোক পাড়ায় জলসায়। স্বপ্ন ও বাস্তবে মিশে বেঁচে থাকা চাই চাই সব কিছু কিছু […]

