| তুমি যে আমারে চাও আমি সে জানি। কেন যে মোরে কাঁদাও আমি সে জানি ॥
এ আলোকে এ আঁধারে কেন তুমি আপনারে ছায়াখানি দিয়ে ছাও আমি সে জানি ॥ সারাদিন নানা কাজে কেন তুমি নানা সাজে কত সুরে ডাক দাও আমি সে জানি। সারা হলে দে’য়া-নে’য়া দিনান্তের শেষ খেয়া কোন্ দিক-পানে বাও আমি সে জানি ॥ |
রাগ: ইমন-পূরবী তাল: ত্রিতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৩ আষাঢ়, ১৩১১ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1904 রচনাস্থান: মজঃফরপুর স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার |
Related Articles
আমার প্রানের মানুষ আছে প্রাণে
আমার প্রানের মানুষ আছে প্রাণে তাই হেরি তায় সকল খানে।। আছে সে নয়নতারায় আলোক ধারায় তাই না হারায় ওগো তাই দেখি তায় যেথায় সেথায় তাকাই আমি যে দিক পানে।। আমি তার মুখের কথা শুনবো বলে গেলাম কোথা। শোনা হল না হলো না আজ ফিরে এসে নিজের দেশে এই যে শুনি, শুনি তাহার বানী আপন গানে।। […]
তোমরা হাসিয়া বহিয়া চলিয়া যাও
তোমরা হাসিয়া বহিয়া চলিয়া যাও কুলুকুলুকল নদীর স্রোতের মতো । আমরা তীরেতে দাঁড়ায়ে চাহিয়া থাকি, মরমে গুমরি মরিছে কামনা কত ।। আপনা-আপনি কানাকানি কর সুখে, কৌতুকছটা উছলিছে চোখে মুখে, কমলচরণ পড়িছে ধরণী-মাঝে, কনকনূপুর রিনিক ঝিনিকি বাজে ।। অঙ্গে অঙ্গ বাঁধিছ রঙ্গপাশে, বাহুতে বাহুতে জড়িত ললিত লতা । ইঙ্গিতরসে ধ্বনিয়া উঠিছে হাসি, নয়নে নয়নে বহিছে গোপন […]
সুখের মাঝে তোমায় দেখেছি
সুখের মাঝে তোমায় দেখেছি, দুঃখে তোমায় পেয়েছি প্রাণ ভ’রে । হারিয়ে তোমায় গোপন রেখেছি, পেয়ে আবার হারাই মিলন-ঘোরে । চিরজীবন আমার বীণা-তারে তোমার আঘাত লাগল বারে বারে, তাই তো আমার নানা সুরের তানে তোমার পরশ প্রাণে নিলেম ধ’রে । আজ তো আমি ভয় করি নে আর লীলা যদি ফুরায় হেথাকার। নূতন আলোয় নূতন অন্ধকারে লও […]

