| তুমি যে আমারে চাও আমি সে জানি। কেন যে মোরে কাঁদাও আমি সে জানি ॥
এ আলোকে এ আঁধারে কেন তুমি আপনারে ছায়াখানি দিয়ে ছাও আমি সে জানি ॥ সারাদিন নানা কাজে কেন তুমি নানা সাজে কত সুরে ডাক দাও আমি সে জানি। সারা হলে দে’য়া-নে’য়া দিনান্তের শেষ খেয়া কোন্ দিক-পানে বাও আমি সে জানি ॥ |
রাগ: ইমন-পূরবী তাল: ত্রিতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৩ আষাঢ়, ১৩১১ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1904 রচনাস্থান: মজঃফরপুর স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার |
Related Articles
দে পড়ে দে আমায় তোরা কী কথা আজ লিখেছে সে।
দে পড়ে দে আমায় তোরা কী কথা আজ লিখেছে সে। তার দূরের বাণীর পরশমানিক লাগুক আমার প্রাণে এসে॥ শস্যখেতের গন্ধখানি একলা ঘরে দিক সে আনি, ক্লান্তগমন পান্থহাওয়া লাগুক আমার মুক্ত কেশে॥ নীল আকাশের সুরটি নিয়ে বাজাক আমার বিজন মনে, ধূসর পথের উদাস বরন মেলুক আমার বাতায়নে। সূর্য ডোবার রাঙা বেলায় ছড়াব প্রাণ রঙের খেলায়, আপন-মনে […]
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা, এ সমুদ্রে আর কভু হব নাকো পথহারা। যেথা আমি যাই নাকো তুমি প্রকাশিত থাকো, আকুল নয়নজলে ঢালো গো কিরণধারা ॥ তব মুখ সদা মনে জাগিতেছে সংগোপনে, তিলেক অন্তর হলে না হেরি কূল-কিনারা। কখনো বিপথে যদি ভ্রমিতে চাহে এ হৃদি অমনি ও মুখ হেরি শরমে সে হয় সারা।
চিনিলে না আমারে কি
চিনিলে না আমারে কি। দীপহারা কোণে আমি ছিনু অন্যমনে, ফিরে গেলে কারেও না দেখি॥ দ্বারে এসে গেলে ভুলে পরশনে দ্বার যেত খুলে– মোর ভাগ্যতরী এটুকু বাধায় গেল ঠেকি॥ ঝড়ের রাতে ছিনু প্রহর গণি। হায়, শুনি নাই, শুনি নাই রথের ধ্বনি তব রথের ধ্বনি। গুরুগুরু গরজনে কাঁপি বক্ষ ধরিয়াছিনু চাপি, আকাশে বিদ্যুতবহ্নি অভিশাপ গেল লেখি॥ Chinile […]

