আমি যাব না গো অমনি চলে। মালা তোমার দেব গলে॥
অনেক সুখে অনেক দুখে তোমার বাণী নিলেম বুকে,
ফাগুনশেষে যাবার বেলা আমার বাণী যাব বলে॥
কিছু হল, অনেক বাকি। ক্ষমা আমায় করবে না কি।
গান এসেছে সুর আসে নাই,হল না যে শোনানো তাই–
সে-সুর আমার রইল ঢাকা নয়নজলে॥
আমি যাব না গো অমনি চলে। মালা তোমার দেব গলে॥
অনেক সুখে অনেক দুখে তোমার বাণী নিলেম বুকে,
ফাগুনশেষে যাবার বেলা আমার বাণী যাব বলে॥
কিছু হল, অনেক বাকি। ক্ষমা আমায় করবে না কি।
গান এসেছে সুর আসে নাই,হল না যে শোনানো তাই–
সে-সুর আমার রইল ঢাকা নয়নজলে॥
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে– কেন কথা কহিল না, চলিয়া গেল ধীরে॥ নিকুঞ্জে দখিনাবায় করিছে হায়-হায়, লতাপাতা দুলে দুলে ডাকিছে ফিরে ফিরে॥ দুজনের আঁখিবারি গোপনে গেল বয়ে, দুজনের প্রাণের কথা প্রাণেতে গেল রয়ে। আর তো হল না দেখা, জগতে দোঁহে একা– চিরদিন ছাড়াছাড়ি যমুনাতীরে॥
এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন ঘনঘোর বরিষায়! এমন মেঘস্বরে বাদল-ঝরঝরে তপনহীন ঘন তমসায়। সে কথা শুনিবে না কেহ আর, নিভৃত নির্জন চারি ধার। দুজনে মুখোমুখি গভীর দুখে দুখি, আকাশে জল ঝরে অনিবার। জগতে কেহ যেন নাহি আর। সমাজ সংসার মিছে সব, মিছে এ জীবনের কলরব। কেবল আঁখি দিয়ে আঁখির সুধা পিয়ে হৃদয় দিয়ে হৃদি […]
ফিরবে না তা জানি, তা জানি– আহা, তবু তোমার পথ চেয়ে জ্বলুক প্রদীপখানি॥ গাঁথবে না মালা জানি মনে, আহা, তবু ধরুক মুকুল আমার বকুলবনে প্রাণে ওই পরশের পিয়াস আনি॥ কোথায় তুমি পথভোলা, তবু থাক্-না আমার দুয়ার খোলা। রাত্রি আমার গীতহীনা, আহা, তবু বাঁধুক সুরে বাঁধুক তোমার বীণা– তারে ঘিরে ফিরুক কাঙাল বাণী॥ রাগ: ভৈরব-কীর্তন তাল: ষষ্ঠী রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): পৌষ, ১৩২৯ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1923 […]
