নিতান্ত নির্ভুলভাবে কোনো কাজ করতে পারিনি
হাতের কুঠার ফেলে কাঠকাটা ভুলে বারবার
দেখেছি বনের শোভা : বৃক্ষরাজি হরিৎ পত্রালি;
পরিণামে অভুক্ত থেকেছি দীর্ঘ তিরিশ বছর।
কাঠুরের ঘরে জন্ম, তবু, পারিনি কঠোর হতে;
অবলীলাক্রমে বৃক্ষ কুঠারের আঘাতে-আঘাতে
কেটে ফেলতে প্রাণে লাগে,
পত্রপুষ্প শোভিত বনে
ভুলক্রমে মিশে গেছি প্রাকৃতিক জীবন প্রবাহে।
Related Articles
বিদেশ
ঠোঁট দেখলেই বুঝতে পারি, তুমি এদেশে বেড়াতে এসেছো ঐ গ্রীবা, ঐ ভুরুর শোভা এদেশী নয়- কপালে ঐ চূর্ণ অলক, নিমেষ-হারা দৃষ্টি পলক ঐ মুখ ঐ বুকের রেখা এদেশী নয়! বৃষ্টি থামা বিকেলবেলায় পথ ভরেছে শুকনো কাদায় আমরা সবাই কাতর, বুকে পাথর তোমার পা মাটি ছু’লো না তোমার হাসি পাখি-তুলনা তুমি বললে, আমার বৃষ্টি নামুক! আমরা […]
আমি ভঙ্গুর হে
আমি যে-নাকি গাইডের কাছে ইতিহাস-শেখা ফোস্কা-পড়া পর্যটক ছায়ায় হেলান-দেয়া বাতিস্তম্ভের আদলে গিসলুম পিতৃত্ব ফলাবার ইসকুলে জানতুম যতই যাইহোক ল্যাজটাই কুকুরকে নাড়ায় রে আমি যে-নাকি প্ল্যাটফর্মে ভবিষ্যভিতু কনের টাকলামাথা দোজবর বস্তাপ্রতিম বানিয়ার বংশে এনেছিলুম হাইতোলা চিকেন-চাউনি কাদাক্যাঙাল ঠ্যাং থেকে ঝরাচ্ছিলুম ঘেসো ঝিঁঝির সাম্ভা নাচ আমি যে-নাকি ফানুসনাভি ব্যাঙ-থপথপে শুশুক-মাথা আমলা মাটিমাখা নতুন-আলুর চোখে-দেখা দুটাকা […]
ক্লান্তির পর
আমি তোমার অধর থেকে ওষ্ঠ তুলে তাকিয়ে দেখি মুখের দিকে তুমি তোমার কোনো কথাই রাখেনি কথা ছিল কি এমন করে কান্না, এমন চোখের দুই পাশ মুচড়ে তাকানোর? কথা ছিল কি বিকেলবেলা ঘড়ির নিচে মায়ার খেলা আদর পেয়ে মার্জারীর মতো শরীর বাঁকানো? হাওয়ায় এখন নদীর মতো শব্দ ওঠে তিনটি কথা বলতে এসে তোমার ঠোঁটে চোখের মধ্যে […]

