নিতান্ত নির্ভুলভাবে কোনো কাজ করতে পারিনি
হাতের কুঠার ফেলে কাঠকাটা ভুলে বারবার
দেখেছি বনের শোভা : বৃক্ষরাজি হরিৎ পত্রালি;
পরিণামে অভুক্ত থেকেছি দীর্ঘ তিরিশ বছর।
কাঠুরের ঘরে জন্ম, তবু, পারিনি কঠোর হতে;
অবলীলাক্রমে বৃক্ষ কুঠারের আঘাতে-আঘাতে
কেটে ফেলতে প্রাণে লাগে,
পত্রপুষ্প শোভিত বনে
ভুলক্রমে মিশে গেছি প্রাকৃতিক জীবন প্রবাহে।
Related Articles
তুই?
সোঁদা ঘামের গন্ধ জড়িয়ে ছিল আষ্ঠেপৃষ্ঠে, তুই ছিলি! বাইরে তখন বালক বাতাস উড়িয়ে দিচ্ছে ধুলো। বন্ধ চোখে এগিয়ে দিয়েছিলি ভেজা ঠোঁট, এলোমেলো চুল করে, আবার গোছানো, আদু কন্ঠে ‘এমনটাই থেকো’ তুই ছিলি! আজো আমি একই আছি। তুই?
পতিতা
আগার তাহার বিভীষিকাভরা, জীবন মরণময়! সমাজের বুকে অভিশাপ সে যে – সে যে ব্যাধি, সে যে ক্ষয়; … প্রেমের পসরা ভেঙে ফেলে দিয়ে ছলনার কারাগারে রচিয়াছে সে যে, দিনের আলোয় রুদ্ধ ক’রেছে দ্বার! সূর্যকিরণ চকিতে নিভায়ে সাজিয়াছে নিশাচর, কালনাগিনীর ফনার মতন নাচে সে বুকের পর! চক্ষে তাহার কালকুট ঝরে, বিষপঙ্কিল শ্বাস, সারাটি জীবন মরীচিকা তার […]
সোনালী কাবিন – ১
সোনার দিনার নেই, দেনমোহর চেয়না হরিণী যদি নাও দিতে পারি কাবিনবিহীন হাত দুটি, আত্মবিক্রয়ের স্বর্ন কোনোকালে সঞ্চয় করিনি আহত বিক্ষত করে চারদিকে চতুর ভ্রুকুটি; ভালবাসা দাও যদি আমি দেব আমার চুম্বন, ছলনা জানিনা বলে আর কোনো ব্যাবসা শিখিনি দেহ দিলে দেহ পাবে দেহের অধিক মূলধন আমারতো নেই শখি, যেই পণ্যে অলংকার কিনি। বিবসন হও যদি […]

