আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর ॥
মহিমা তব উদ্ভাসিত মহাগগনমাঝে,
বিশ্বজগত মণিভূষণ বেষ্টিত চরণে ॥
গ্রহতারক চন্দ্রতপন ব্যাকুল দ্রুত বেগে
করিছে পান, করিছে স্নান, অক্ষয় কিরণে ॥
ধরণী’পরে ঝরে নির্ঝর, মোহন মধু শোভা
ফুলপল্লব-গীতবন্ধ-সুন্দর-বরনে ॥
বহে জীবন রজনীদিন চিরনূতনধারা,
করুণা তব অবিশ্রাম জনমে মরণে ॥
স্নেহ প্রেম দয়া ভক্তি কোমল করে প্রাণ,
কত সান্ত্বন করো বর্ষণ সন্তাপহরণে ॥
জগতে তব কী মহোৎসব, বন্দন করে বিশ্ব
শ্রীসম্পদ ভূমাস্পদ নির্ভয়শরণে ॥
Related Articles
বাদল-ধারা হল সারা
বাদল-ধারা হল সারা, বাজে বিদায়-সুর। গানের পালা শেষ ক’রে দে রে, যাবি অনেক দূর॥ ছাড়ল খেয়া ও পার হতে ভাদ্রদিনের ভরা স্রোতে রে, দুলছে তরী নদীর পথে তরঙ্গবন্ধুর॥ কদমকেশর ঢেকেছে আজ বনতলের ধূলি, মৌমাছিরা কেয়াবনের পথ গিয়েছে ভুলি। অরণ্যে আজ স্তব্ধ হাওয়া, আকাশ আজি শিশির-ছাওয়া রে আলোতে আজ স্মৃতির আভাস বৃষ্টির বিন্দুর॥
ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু
ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু, তোমার নামে বাজায় যারা বেণু ॥ পাষাণ দিয়ে বাঁধা ঘাটে এই-যে কোলাহলের হাটে কেন আমি কিসের লোভে এনু ॥ কী ডাক ডাকে বনের পাতাগুলি, কার ইশারা-তৃণের অঙ্গুলি! প্রাণেশ আমার লীলাভরে খেলেন প্রাণের খেলাঘরে, পাখির মুখে এই-যে খবর পেনু ॥ রাগ: ভৈরবী-বাউল তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৩ চৈত্র, ১৩২০ […]
আমার নাইবা হল পারে যাওয়া
আমার নাইবা হল পারে যাওয়া। যে হাওয়াতে চলত তরী অঙ্গেতে সেই লাগাই হাওয়া ॥ নেই যদি বা জমল পাড়ি ঘাট আছে তো বসতে পারি। আমার আশার তরী ডুবল যদি দেখব তোদের তরী-বাওয়া ॥ হাতের কাছে কোলের কাছে যা আছে সেই অনেক আছে। আমার সারা দিনের এই কি রে কাজ– ওপার-পানে কেঁদে চাওয়া। কম কিছু মোর […]

