তোমাকে লিখবো বলে একখানি চিঠি
কতোবার দ্বারস্ত হয়েছি আমি
গীতিকবিতার,
কতোদিন মুখস্ত করেছি এই নদীর কল্লোল
কান পেতে শুনেছি ঝর্ণার গান,
বনে বনে ঘুরে আহরণ করেছি পাখির শিস্
উদ্ভিদের কাছে নিয়েছি শব্দের পাঠ;
তোমাকে লিখবো বলে একখানি চিঠি
সংগ্রহ করেছি আমি ভোরের শিশির,
তোমাকে লেখার মতো প্রাঞ্জল ভাষার জন্য
সবুজ বৃক্ষের কাছে জোড়হাতে দাঁড়িয়েছি আমি-
ঘুরে ঘুরে গুহাগাত্র থেকে নিবিড় উদ্ধৃতি সব
করেছি চয়ন;
তোমাকে লিখবো বলে জীবনের গূঢ়তম চিঠি
হাজার বছর দেখো কেমন রেখেছি খুলে বুক।
Related Articles
রানার
রানার ছুটেছে তাই ঝুম্ঝুম্ ঘণ্টা বাজছে রাতে রানার চলেছে, খবরের বোঝা হাতে, রানার চলেছে রানার! রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার। দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার– কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার। রানার! রানার! জানা-অজানার বোঝা আজ তার কাঁধে, বোঝাই জাহাজ রানার চলেছে চিঠি আর সংবাদে; রানার চলেছে, বুঝি ভোর হয় হয়, […]
তুমি আগুন না জল
আমি তোমাকে ছুঁয়ে দেখলাম পাখির মতো যুগল ডানা আছে তোমার, তুমি কি উড়তে পারো? তোমার চোখ নয়, হাত বাড়াতেই মনে হলো হাত দুটো ডুবে গেলো গভীর দিঘিতে, হারমোনিয়ামের রিডের মতো ঠোঁটে আঙুল রাখতেই শুনতে পেলাম চুম্বনের মসৃণ শব্দ, চুম্বনের শব্দ এতো নরম হয় জানতাম না। নিঃশ্বাসের দোলনায় দুলে উঠলো আঙুল, বুঝলাম ওটা বুক, অথচ ছোঁয়ার […]
কখনো চোখের জল
কখনো চোখের জল ফেলতে নেই ভাতের থালায় তাহলে সে-জল গিয়ে শ্রীভগবানের হাতে পড়ে হাতে ফোস্কা পড়ে যায়, তিনিও তো খেতে বসেছেন তাঁর সেদিন খাওয়া হয় না। তিন দিন হাতে ব্যথা থাকে। শ্রমভাগ্যে যা এসেছে দুমুঠো চারমুঠো তাতে খুশি থাকতে হয় খুশি যদি না-ও থাকি তবুও ভাতের সামনে বসে অন্তত ভাতের সামনে বসে আর অভিযোগ করতে […]

