অন্যান্য

লজ্জাহীন আমার মা!

-কীরে খাবি না?
-না!!!! যা রান্না করছ ওইগুলা দিয়া ভাত খাওয়া যায়? তুমি রান্না করছো এই জিনিস দিয়া তোমার ভাত তুমি খাও!

এইরকম কতবার যে ঘটছে তা ১২ দিজিটের ক্যালকুলেটরে ধরবে কি না তা প্রশ্ন সাপেক্ষ। কিন্তু দেখতাম এই মহিলাটা পৃথিবীর সবচেয়ে লজ্জাহীন(!) মহিলা, কিছুক্ষণ পর পরই কানের কাছে আইসা ঘ্যান ঘ্যান করত। যদিও খেতাম কিন্তু তার ঐ অমার্যনীয় ভুলের জন্য জেদটা ধরে রাখতেও ভুল হতো না; আর তার দন্ড হিসেবে হয়তো সেইদিনই নিকৃষ্ট(!) মানের কোনো খাবার তৈরি করে দিতে হত।

খুব বেশি খেলাধুলার কারণে আমাকে এই নারী কম নির্যাতন করে নাই! যার মধ্যে অন্যতম ছিল কিছুক্ষণ বকাঝকা করে ঐ আপরাধের চেয়েও বড় কোনো আপরাধ করতে সাহায্য করা।আমাকে সত্যি বলতে উপদেশ দিত আবার নিজেই মিথ্যা বলত! তখন অবাক হতাম; আরো বেশী অবাক হতাম যখন দেখতাম ঐ মিথ্যাটা বলছে আমার কোনো আদর্শ(!) কাজ বাবার কাছে ঢাকবার জন্য!

এই রমনি কখনো বোধহয় আমার ভাল চাইতো না !, নইলে এস এস সি-র পরে ঢাকায় মানুষের মতো মানুষ(!) হতে আসার পথে বার বার কেন বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল? আর কাঁন্নার অভিনয় তো আছেই… অথচ আমি কোন কারণে একটু কাঁদলে বলত এতো বড় হইছস লজ্জা লাগে না শুধু শুধু কান্নাকাটি করতে!

এখন আমি মেসে অনেক আনন্দে আছি যখন খুশি তখন খেলতে যেতে পারি, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে পারি। খাওয়া-দাওয়া? দেখেন ভাই, খাওয়া দাওয়াটা কিন্তু প্রধান বিষয় না!; সে কিছু একটা হলে চলে যায়!! তাছাড়া, বুয়া তো খুব একটা খারপ রাধে না; হোক না হয় একটুখানি ঝাঁলে অতিরঞ্জিত কিংবা জানান দেক কিছুটা লবনের অনুপস্থিতি। আরে এইসব ঝামেলা না থাকলে তাকে জীবন বলে নাকী..!….?

কিন্তু একটা জিনিসের এখন কোনো তল খুঁজে পেলাম না যখন অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকি তখন হঠৎ মনে হয় কে যেন আজ সারাদিন আমার নামটা ধরে ডাকে নাই। বডী স্প্রের তীব্র গন্ধে জর্জরিত শার্টটা যখন লজ্জ্বায় মুখ লুকায় তখন কেউ বলে না- তুই এই ফকিরের বেশে কই যাস?
রবির মতো সুন্দর অ আকর্ষিক শব্দ আমার অভিধানে নেই, না আছে নজরুলের ন্যায় বজ্র কন্ঠ! তোমাকে কোনো উপমায় উপমিত করব সেই দুঃসাহসও নেই, শুধু বলতে চাই পৃথিবীর সকল নির্লজ্জ মায়েদের “সালাম”….

______ধ্যাৎ!! চশমার পাওয়ারটা বোধহয় আবার প্রিবর্তন করতে হবে!! :’(

মৃদু ধ্বনি
মৃদু ধ্বনি
আমি সনেট (মৃদু ধ্বনি) এই নাম নিয়েই পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত বড় হয়েছিলাম! হঠাৎ কী এক অজানা কারনে জানতে পারলাম আমার নাম আসলে "রাসেল"!! যা এখন পর্যন্ত আমি সার্টিফিকেটে ব্যবহার করে আসছি... :) মানচিত্রের ছোট্ট একটি দেশ "বাংলাদেশ" সেই দেশের ক্ষুদ্রতম জ়েলা "শরীয়তপুর" শহরে জন্ম... আমি খুবই সাধারন এবং মনে হয় অনেকটা স্বার্থপরও...সাধারন কারন আমি চায়ের দোকানে আমার প্রাপ্য দুই টাকার জন্য পাঁচ মিনিটও দাঁড়িয়ে থাকতে পারি, চালের দাম কেজিতে দশ টাকা বাড়লে আমার কিছু যায়-আসে না! কিন্তু সিগারেটের দাম ৫০পয়সা বাড়ালে খুব কষ্ট হয় তাই আমি স্বার্থপর...... ভালবাসি ঘুরে বেড়াতে কিন্তু আশ্চর্যজনক ব্যপার হল আমি খুব বেশি জায়গা দেখিনি!! তাই মাঝে মাঝে মনে হয় "না পাওয়াই ভালবাসা আর অপূর্ণতার তৃপ্তিই প্রকৃত তৃপ্তি"...... কিছু সস্তা দর্শন:- ক্ষণিক সময়ের এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকর অলীক মায়া গুলোকে পূর্ণতা দেয়ার প্রয়াসে যদি এত দাবি থাকে তাহলে অবশ্যই আমার প্রতিটি নিশ্বাসে ব্যবহৃত অক্সিজেনে সৃষ্টিকর্তার(আল্লাহ) দাবী অনসীকার্য; আবেগ নয় বিশ্বাস -নিজ একমাত্র মৃত্যুর পরই মানুষ সকল হিংসা-বিদ্বেস এবং সংকীর্নতার উর্ধ্বে চলে যায়। জীবনটা অলিক মৃত্যুটাই সত্য; ধ্রুব! -নিজ বরই বৈচিত্রময় এই পৃথিবী;তার চেয়েও বিচিত্র এতে বসবাসরত প্রানীগুলো -নিজ ভ্রুনের ন্যায় মহীরুপ ধারনের অভিলাষ ছিল না। আমিতো সাদা রক্ত ধারন করে আড়াই দিন বাঁচার স্বপ্নে বিভর!!! -নিজ চলে যেতে চাইছ? মুক্তি দিলাম।। তবে মনে রেখ- বিষাক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইডও আমরা ছেড়ে দেই!! এবং তা বেঁচে থাকার তাগিদেই। -নিজ বৃত্তবন্দী তোমার জীবন,পাখির মত মন; নির্ভুল তোমার নিয়তি, সপ্নের সাথে অহর্নিশ সন্ধি| বড়ই অদ্ভুদ এই মনুষ্য জাতি!! -নিজ

One thought on “লজ্জাহীন আমার মা!

Comments are closed.