খবর্দার। হাত সরিয়ে নাও।
ব্যাগে ভরে নাও টাকাগুলো।
আজ সমস্ত কিছুউর দাম দেব আমি।
কী হচ্ছে কি শুভঙ্কর? কেম এমন পাগলামির ঢেউয়ে দুলছো?
এই জন্যেই তমার উপর রাগ হয় এমন।
মাঝে মাঝে অর্থমন্ত্রীদের মতো গোঁয়ার হয়ে ওথো তুমি।
কাল কতবার বলেছিলুম,চলো উঠি,চলো উঠি।
এখুনি সেনা বাহিনীর মত ঝাপিয়ে পড়বে বৃষ্টি,চলো উঠি।
তুমি ঘাসের উপর বুড়ো বটগাছ হয়ে বসে রইলে।
কলকাতা ডুবল,তুমিও ডুবলে
আমাকেও ডোবালে।
কেন আমার কথা শোনো না বল তো ?
আমি নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি
যে সিংহাসনের হাতলে হাত রাখলেই হারিয়ে যাবে স্মৃতিহীন অন্ধকারে?
কলের জলের মতো
ক্যালেন্ডারের তারিখের মতো
বন্যার গায়ে গায়ে খরার মতো
আমি তো তোমার সঙ্গেই আছি এবং থাকবো।
তাহলে কেন আমার কথা শোনো না শুভঙ্কর?
Related Articles
অনেককেই তো অনেক দিলে
আমি ছাড়া অনেককেই তো অনেক দিলে। এর আকাশে ওর আকাশে ওষ্ঠপুটের অনেক পাখি উড়িয়ে দিলে পায়রাকে ধান খুটিতে দিলে খোয়াই জুড়ে বুকের দুটো পর্দাঢাকা জানলা খুলে কতজনকে হাত-ডোবানো বৃষ্টি দিলে। কত মুখের রোদের রেখা মুছিয়ে দিলে নীল রুমালে। আমি ছাড়া অনেককেই তো অনেক দিলে। চায়ের কাপে মিষ্টি দিলে হাসির থেকে নকশাকাটা কাঁচের গ্লাসে সরবতে সুখ […]
চিরদিনের
এখানে বৃষ্টিমুখর লাজুক গাঁয়ে এসে থেমে গেছে ব্যস্ত ঘড়ির কাঁটা, সবুজ মাঠেরা পথ দেয় পায়ে পায়ে পথ নেই, তবু এখানে যে পথ হাঁটা। জোড়া দীঘি, তার পাড়েতে তালের সারি দূরে বাঁশঝাড়ে আত্মদানের সাড়া, পচা জল আর মশায় অহংকারী নীরব এখানে অমর কিষাণপাড়া। এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে, গোয়ালে […]
আবার আসবো ফিরে
হাতের মুঠোয় রোদ্দুর ছিল দুচোখ জুড়ে স্বপ্ন ছিল হৃদয়ে ভালবাসার উত্তাপ ছিল হেরে যাওয়া পৌরুষের অহঙ্কার ভালবাসার বুক চিরে রক্ত ঝরালো আমার গোপন লজ্জার অশ্রুপাতে আদিম রিপুর উল্লাস ছিন্নভিন্ন করে দিল তোমাদেরই জন্মের পথ । মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও বলে যাই – ফিরে আসবো আবারও জন্ম নেবো , বারবার জন্ম নেবো , আমি থাকবো তোমাদেরই বুকের […]

