তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম, যা কিছু নিজের ছিল
দিয়েছিলাম,
যা কিছুই অর্জন-উপার্জন !
এখন দেখ না ভিখিরির মতো কেমন বসে থাকি !
কেউ ফিরে তাকায় না।
তোমার কেন সময় হবে তাকাবার ! কত রকম কাজ
তোমার !
আজকাল তো ব্যস্ততাও বেড়েছে খুব।
সেদিন দেখলাম সেই ভালবাসাগুলো
কাকে যেন দিতে খুব ব্যস্ত তুমি,
যেগুলো তোমাকে আমি দিয়েছিলাম।
Related Articles
কত্তো বাবা
বাবার কথা বলে না কেউ কে বলেছে ভাই? এই দেখো না কত্ত বাবার খবর বলে যাই। বাবা থাকেন হাইকোর্টেতে লালসালুরই মাজারে, গডফাদারের অত্যাচারে মানুষ মরে হাজারে। বাবা আছেন বিজ্ঞানেতে, নড়ছে নাকি টনক? হিপোক্রেটিসকে বলা হয় মেডিসিনের জনক। জাতির পিতা আছেন বলি অনেকগুলো জাতিরই, সবাই তাদের মান্য করেন, করেন খায় ও খাতিরই। হুজুর আপনি মা-বাপ বলে […]
আমি কিরকম ভাবে বেঁচে আছি
আমি কীরকম ভাবে বেঁচে আছি তুই এসে দেখে যা নিখিলেশ এই কী মানুষজন্ম? নাকি শেষ পরোহিত-কঙ্কালের পাশা খেলা! প্রতি সন্ধ্যেবেলা আমার বুকের মধ্যে হাওয়া ঘুরে ওঠে, হৃদয়কে অবহেলা করে রক্ত; আমি মানুষের পায়ের পায়ের কাছে কুকুর হয়ে বসে থাকি-তার ভেতরের কুকুরটাকে দেখবো বলে। আমি আক্রোশে হেসে উঠি না, আমি ছারপোকার পাশে ছারপোকা হয়ে হাঁটি, মশা […]
আমি
ফেরাতে পারি না মুখ যেই দিকে, সেই দিকে সে যে মত্ত নৃত্যরতা, আর ব্যথিতার ভঙ্গি তুলে ধরে আমার নিষিদ্ধ চোখ জেগে থাকে নিজের কোটরে অথচ দেয় না দৃষ্টি। মরণের মধুর আমেজে নাচের ঘুঙুর বাজে, মেঝে তার কাঁপে পদপাতে প্রতিটি ধ্বনির তীর বিদ্ধ করে এই ভীরু বুক কেউ যেন বলে ওঠে, এইবার ফেনিয়ে উঠুক দুঃখ তোর, […]

