তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম, যা কিছু নিজের ছিল
দিয়েছিলাম,
যা কিছুই অর্জন-উপার্জন !
এখন দেখ না ভিখিরির মতো কেমন বসে থাকি !
কেউ ফিরে তাকায় না।
তোমার কেন সময় হবে তাকাবার ! কত রকম কাজ
তোমার !
আজকাল তো ব্যস্ততাও বেড়েছে খুব।
সেদিন দেখলাম সেই ভালবাসাগুলো
কাকে যেন দিতে খুব ব্যস্ত তুমি,
যেগুলো তোমাকে আমি দিয়েছিলাম।
Related Articles
তুলনামূলক হাত
তুমি যেখানেই স্পর্শ রাখো সেখানেই আমার শরীর৷ তোমার চুলের ধোয়া জল তুমি যেখানেই খোঁপা ভেঙ্গে বিলাও মাটিকে; আমি এসে পাতি হাত, জলভারে নতদেহ আর চোখের সামগ্রী নিয়ে ফিরি ঘরে, অথবা ফিরি না ঘরে, তোমার চতুর্দিকে শূন্যতাকে ভরে থেকে যাই৷ তুমি যেখানেই হাত রাখো, যেখানেই কান থেকে খুলে রাখো দুল, কন্ঠ থেকে খুলে রাখো হার, সেখানেই […]
ভেঙে ফেল বাকিংহাম
ভেঙে ফেল ওই বাকিংহাম প্রাসাদ মহাশোষকের রাজপ্রাসাদ লন্ডনের অট্টালিকা রাস্তাঘাটের ইটপাথর সব আমাদের সব আমাদের সব আমাদের কেড়ে নেয়া রাজার জামার সোনার বোতাম আমাদের রানির মাথার মুকুটের মণি আমাদের ফলভারে নত আমাদের বৃক্ষের কাঠে গড়া রাজসিংহাসন আমাদের কেড়ে নেয়া অলঙ্কারে সেজেছে তন্বী রমণী লন্ডন আমাদের নীলচাষিদের কষ্টে ফলানো নীলে লন্ডনের আকাশ হয়েছে নীল আমাদের নীলে […]
তুমি আজও তুমি
সে কী বিস্ময়! সেই বসন্ত! কী করে ভুলি? অমাবস্যার রাত নাকি সেটা দীর্ঘ চুলই পরণকথার কোনো রূপসীর! আজকাল কারও দেখি না তো চুল দীর্ঘ এতটা— বিস্ময় সে কী! আর সেই চুলে তারার ফোঁটা— কত লক্ষ তা? এক লক্ষই হবে— দাবানল লাগা বনের শিখায় ওড়ে এক কোটি অগ্নিকণা— আমি ভুলব না সে উন্মাদনা! বিস্ময়ে হই এমন […]

