আমার জন্ম খুব প্রবাদপ্রাচীন, খুব রহস্যবিধুর
এখনো মাতৃগর্ভে, জন্মেও জন্মিনি ক্লান্ত কিশোর,
ভূমিষ্ট হয়েও আমি জন্মহীন ভূমার সন্তান;
আমি জন্মই উড়ন্ত পাখা, অবুঝ আঁধার বাড়ি
অদ্ভুত শুচিতাগ্রস্থ, অদ্ভুত পাপের বই
জন্মেই জীর্ণজরা, কালো ঘূর্ণি জল
আমি জেগেও নিদ্রাগ্রন্থ ঘুমের ঘুঙুর, অন্ধকার
আলোঘর
নিভে-যাওয়া প্রজ্জ্বলিত মোম,
কেটেছেঁটে নিজেকে নিজেই আমি রচনা করেছি।
আমি সেই পাতাল সুরঙ্গ, গোপন গহ্বর
জন্মিনাই, তবু জড়িয়েছি আদি অন্ধ পাপে, তমসায়
তমসায়
Related Articles
শান্তির ডিক্রি
নিজের হাতে জমি চাষ করেন এমন একজন সাধারণ কৃষককে জিজ্ঞেস করুন, আপনি কি চান শান্তি? তাঁর উত্তর হবে: এই তো আমার সবচেয়ে প্রিয় চাওয়া। চাই, প্রাণপণে চাই, শতমুখে চাই। জিজ্ঞেস করুন কারখানার একজন সাধারণ শ্রমিককে, আপনি কী চান? তারও উত্তর হবে – শান্তি …. একটু শান্তির জন্যই তো এই অহোরাত্র শ্রম। জিজ্ঞেস করুন একটি বনের […]
হাতেমতাই
হাতের কাছে ছিল হাতেমতাই চূড়োয় বসিয়েছি তাকে দুহাত জোড় করে বলেছি ‘প্রভু দিয়েছি খত দেখো নাকে। এবার যদি চাও গলাও দেব দেখি না বরাতে যা থাকে – আমার বাঁচামরা তোমারই হাতে স্মরণে রেখো বান্দাকে!’ ডুমুরপাতা আজও কোমরে ঝোলে লজ্জা বাকি আছে কিছু এটাই লজ্জার। এখনও মজ্জার ভিতরে এত আগুপিছু! এবার সব খুলে চরণমূলে ঝাঁপাব ডাঁই […]
আমার জন্ম
তপ শেষে যখন বাল্মীকি তাঁর মুদিত নয়ন খুলিলেন, দেখিলেন লব নেই; চোখের সমুখে দিগন্তবিস্তৃত ধু-ধু শূন্য তপোবন প’ড়ে আছে৷ ‘কোথা লব, কোথা লব? ফিরে আয়৷’ ডাকিলেন মুনি, ফিরে এলো প্রতিধ্বনি, শিশু লব দিলো না উত্তর৷ এ কোন্ বিধির লীলা, ভাবিলেন চিন্তক্লীষ্ট মুনি: ‘শুন্য হাতে কী মুখে যাইব আজ সেই পূণ্যাশ্রমে, – যেখানে অকল্পনীয় লব-হীন সীতার […]

