নিতান্ত নির্ভুলভাবে কোনো কাজ করতে পারিনি
হাতের কুঠার ফেলে কাঠকাটা ভুলে বারবার
দেখেছি বনের শোভা : বৃক্ষরাজি হরিৎ পত্রালি;
পরিণামে অভুক্ত থেকেছি দীর্ঘ তিরিশ বছর।
কাঠুরের ঘরে জন্ম, তবু, পারিনি কঠোর হতে;
অবলীলাক্রমে বৃক্ষ কুঠারের আঘাতে-আঘাতে
কেটে ফেলতে প্রাণে লাগে,
পত্রপুষ্প শোভিত বনে
ভুলক্রমে মিশে গেছি প্রাকৃতিক জীবন প্রবাহে।
Related Articles
এ কেমন বৈরী
ভাবা যায় ? কোনো প্রতিপক্ষ নেই ! সবকটা আধমরা হয়ে আজ শুয়ে আছে জুতোর তলায় ? কিছুই করিনি আমি কেবল মুখেতে হাত চাপা দিয়ে চিৎকার করেছি থেকে-থেকে হাহাহা হাহাহা হাহা হাহা পিস্তল কোমরে বাঁধা তেমনিই ছিল সঙ্গোপনে ক্ষুর বা ভোজালি বের করিনিকো বোমাগুলো শান্তিনিকেতনি ব্যাগে চুপচাপ যেমন-কে-তেমন পড়ে আছে আমি তো আটঘাট বেঁধে ভেবেছি […]
সব বলে দেব
সব বলে দেব- তোমার সাথে প্রথম দেখা, অসংলগ্ন অনুভুতি, ঘোর লাগা সেই বিকেল, সব| বলে দেব- খুব দ্রুত ঘটে যাওয়া অবৈধ কিছু দৃশ্য, আমি বলব,আমি বুঝি নি বোঝার হেতুও খুঁজি নি| আমি কেবলই বিরক্ত হতাম- কারো অস্থায়ি বিয়োগে, অথবা; উপস্থিতির সতের সেকেন্ডের মিনিটে! বলে দেব- লজ্জাহীন ছিল সকাল, অত্যাচারে রক্তিম ছিল বিকেল, আরো […]
আরো একজন
যেখানেই যাও তুমি, যেখানেই যাও সঙ্গে যায় আরো একজন; যদিও অদূরে তবু তার দূরত্ব ভীষণ। যেখানেই দৃষ্টি দাও, যেখানেই দাও দৃষ্টি দেয় আরো একজন; যদিও সুনীল তবু সেখানেই মেঘের গড়ন। যাকেই যে কথা বলো, যাকেই যে কথা শুনে যায় আরো একজন; যদিও নিশ্চুপ তবু অবিরাম পদ্মার ভাঙন। যেখানেই রাখো হাত, যেখানেই রাখো রাখে হাত আরো […]

