মুখখানি কর মলিন বিধুর যাবার বেলা–
জানি আমি জানি, সে তব মধুর ছলের খেলা ॥
গোপন চিহ্ন এঁকে যাবে তব রথে–
জানি তুমি তারে ভুলিবে না কোনোমতে
যার সাথে তব হল এক দিন মিলনমেলা ॥
জানি আমি যবে আঁখিজল ভরে রসের স্নানে
মিলনের বীজ অঙ্কুর ধরে নবীন প্রাণে ।
খনে খনে এই চিরবিরহের ভান,
ক্ষনে ক্ষনে এই ভয়রোমাঞ্চদান–
তোমার প্রণয়ে সত্য সোহাগে মিথ্যা হেলা ॥
Related Articles
যখন তুমি বাঁধছিলে তার সে যে বিষম ব্যথা
যখন তুমি বাঁধছিলে তার সে যে বিষম ব্যথা– বাজাও বীণা, ভুলাও ভুলাও সকল দুখের কথা ॥ এতদিন যা সঙ্গোপনে ছিল তোমার মনে মনে আজকে আমার তারে তারে শুনাও সে বারতা ॥ আর বিলম্ব কোরো না গো, ওই-যে নেবে বাতি। দুয়ারে মোর নিশীথিনী রয়েছে কান পাতি। বাঁধলে যে সুর তারায় তারায় অন্তবিহীন অগ্নিধারায়, সেই সুরে মোর […]
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে পথিকেরে লহো ডাকি তব মন্দিরের এক ধারে।। বনপথ হতে, সুন্দরী, এনেছি মল্লিকামঞ্জলী তুমি লবে নিজ বেণীবন্ধে মনে রেখেছি এ দুরাশারে।। কোনো কথা নাহি ব’লে ধীরে ধীরে ফিরে যাব চলে। ঝিল্লিঝঙ্কৃত নিশীথে পথে যেতে বাঁশরিতে শেষ গান পাঠাব তোমা-পানে শেষ উপহারে।। Borsonmondrito ondhokare wshechi tomai e dare
সে দিন আমায় বলেছিলে আমার সময় হয় নাই
সে দিন আমায় বলেছিলে আমার সময় হয় নাই– ফিরে ফিরে চলে গেলে তাই॥ তখনো খেলার বেলা– বনে মল্লিকার মেলা, পল্লবে পল্লবে বায়ু উতলা সদাই॥ আজি এল হেমন্তের দিন কুহেলীবিলীন, ভূষণবিহীন। বেলা আর নাই বাকি, সময় হয়েছে নাকি– দিনশেষে দ্বারে বসে পথপানে চাই। Sedin amay bolechile

