দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি–
বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে জানি॥
তবু তো ফাল্গুনরাতে এ গানের বেদনাতে
আঁখি তব ছলোছলো, এই বহু মানি॥
চাহি না রহিতে বসে ফুরাইলে বেলা,
তখনি চলিয়া যাব শেষ হবে খেলা।
আসিবে ফাল্গুন পুন, তখন আবার শুনো
নব পথিকেরই গানে নূতনের বাণী॥
Related Articles
আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে
আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে। এ জীবন পুণ্য করো দহন-দানে ॥ আমার এই দেহখানি তুলে ধরো, তোমার ওই দেবালয়ের প্রদীপ করো– নিশিদিন আলোক-শিখা জ্বলুক গানে ॥ আঁধারের গায়ে গায়ে পরশ তব সারা রাত ফোটাক তারা নব নব। নয়নের দৃষ্টি হতে ঘুচবে কালো, যেখানে পড়বে সেথায় দেখবে আলো– ব্যথা মোর উঠবে জ্বলে ঊর্ধ্ব পানে ॥ 06. Aguner […]
আমার প্রানের মানুষ আছে প্রাণে
আমার প্রানের মানুষ আছে প্রাণে তাই হেরি তায় সকল খানে।। আছে সে নয়নতারায় আলোক ধারায় তাই না হারায় ওগো তাই দেখি তায় যেথায় সেথায় তাকাই আমি যে দিক পানে।। আমি তার মুখের কথা শুনবো বলে গেলাম কোথা। শোনা হল না হলো না আজ ফিরে এসে নিজের দেশে এই যে শুনি, শুনি তাহার বানী আপন গানে।। […]
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে– কেন কথা কহিল না, চলিয়া গেল ধীরে॥ নিকুঞ্জে দখিনাবায় করিছে হায়-হায়, লতাপাতা দুলে দুলে ডাকিছে ফিরে ফিরে॥ দুজনের আঁখিবারি গোপনে গেল বয়ে, দুজনের প্রাণের কথা প্রাণেতে গেল রয়ে। আর তো হল না দেখা, জগতে দোঁহে একা– চিরদিন ছাড়াছাড়ি যমুনাতীরে॥

