| আমি কান পেতে রই ও আমার আপন হৃদয়গহন-দ্বারে বারে বারেকোন্ গোপনবাসীর কান্নাহাসির গোপন কথা শুনিবারে– বারে বারে ॥
ভ্রমর সেথা হয় বিবাগি নিভৃত নীল পদ্ম লাগি রে, কোন্ রাতের পাখি গায় একাকী সঙ্গীবিহীন অন্ধকারে বারে বারে ॥ কে সে মোর কেই বা জানে, কিছু তার দেখি আভা। কিছু পাই অনুমানে, কিছু তার বুঝি না বা। মাঝে মাঝে তার বারতা আমার ভাষায় পায় কি কথা রে, ও সে আমায় জানি পাঠায় বাণী গানের তানে লুকিয়ে তারে বারে বারে ॥ |
রাগ: বিভাস-বাউল তাল: দাদরা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২ শ্রাবণ, ১৩২৯ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১৮ জুলাই, ১৯২২ স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Articles
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়, কী আছে শেষে! এত কামনা, এত সাধনা কোথায় মেশে। ঢেউ ওঠে পড়ে কাঁদার, সম্মুখে ঘন আঁধার, পার আছে গো পার আছে– পার আছে কোন্ দেশে। আজ ভাবি মনে মনে মরীচিকা-অন্বেষণে হায় বুঝি তৃষ্ণার শেষ নেই। মনে ভয় লাগে সেই– হাল-ভাঙা পাল-ছেঁড়া ব্যথা চলেছে নিরুদ্দেশে ॥ পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়
আমি চঞ্চল হে
আমি চঞ্চল হে, আমি সুদূরের পিয়াসি। দিন চলে যায়, আমি আনমনে তারি আশা চেয়ে থাকি বাতায়নে– ওগো, প্রাণে মনে আমি যে তাহার পরশ পাবার প্রয়াসী॥ ওগো সুদূর, বিপুল সুদূর, তুমি যে বাজাও ব্যাকুল বাঁশরি– মোর ডানা নাই, আছি এক ঠাঁই সে কথা যে যাই পাশরি॥ আমি উন্মনা হে, হে সুদূর, আমি উদাসী॥ রৌদ্র-মাখানো অলস বেলায় […]
আজ শ্রাবণের পূর্ণিমাতে কী এনেছিস বল্
আজ শ্রাবণের পূর্ণিমাতে কী এনেছিস বল্– হাসির কানায় কানায় ভরা নয়নের জল॥ বাদল-হাওয়ায় দীর্ঘশ্বাসে যূথীবনের বেদন আসে– ফুল-ফোটানোর খেলায় কেন ফুল-ঝরানোর ছল। ও তুই কী এনেছিস বল্॥ ওগো, কী আবেশ হেরি চাঁদের চোখে, ফেরে সে কোন্ স্বপন-লোকে। মন বসে রয় পথের ধারে, জানে না সে পাবে কারে– আসা-যাওয়ার আভাস ভাসে বাতাসে চঞ্চল। ও তুই কী […]

