তুমি একটু কেবল বসতে দিয়ো কাছে
আমায় শুধু ক্ষণেক তরে।
আজি হাতে আমার যা কিছু কাজ আছে
আমি সাঙ্গ করব পরে।
না চাহিলে তোমার মুখপানে
হৃদয় আমার বিরাম নাহি জানে,
কাজের মাঝে ঘুরে বেড়াই যত
ফিরি কূলহারা সাগরে॥
বসন্ত আজ উচ্ছ্বাসে নিশ্বাসে
এল আমার বাতায়নে।
অলস ভ্রমর গুঞ্জরিয়া আসে
ফেরে কুঞ্জের প্রাঙ্গণে।
আজকে শুধু একান্তে আসীন
চোখে চোখে চেয়ে থাকার দিন,
আজকে জীবন-সমর্পণের গান
গাব নীরব অবসরে॥
Related Articles
যারা বিহান-বেলায় গান এনেছিল আমার মনে
যারা বিহান-বেলায় গান এনেছিল আমার মনে সাঁঝের বেলায় ছায়ায় তারা মিলায় ধীরে। একা বসে আছি হেথায় যাতায়াতের পথের তীরে, আজকে তারা এল আমার স্বপ্নলোকের দুয়ার ঘিরে। সুরহারা সব ব্যথা যত একতারা তার খুঁজে ফিরে। প্রহর-পরে প্রহর যে যায়, বসে বসে কেবল গণি নীরব জপের মালার ধ্বনি অন্ধকারের শিরে শিরে॥
ধনধান্যপুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা
ধনধান্যপুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা তাহার মাঝে আছে দেশ এক – সকল দেশের সেরা; – ও সে, স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে-দেশ, স্মৃতি দিয়ে ঘেরা; (কোরাস) – এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানি সে যে – আমার জন্মভূমি। চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা, কোথায় উজল এমন ধারা। কোথায় এমন খেলে তড়িৎ এমন কালো মেঘে! […]
ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু
ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু, তোমার নামে বাজায় যারা বেণু ॥ পাষাণ দিয়ে বাঁধা ঘাটে এই-যে কোলাহলের হাটে কেন আমি কিসের লোভে এনু ॥ কী ডাক ডাকে বনের পাতাগুলি, কার ইশারা-তৃণের অঙ্গুলি! প্রাণেশ আমার লীলাভরে খেলেন প্রাণের খেলাঘরে, পাখির মুখে এই-যে খবর পেনু ॥ রাগ: ভৈরবী-বাউল তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৩ চৈত্র, ১৩২০ […]

