স্তব্ধ হল দশ দিক নত করি আঁখি—
বন্ধ করি দিল গান যত ছিল পাখি।
শান্ত হয়ে গেল বায়ু, জলকলস্বর
মুহূর্তে থামিয়া গেল, বনের মর্মর
বনের মর্মের মাঝে মিলাইল ধীরে।
নিস্তরঙ্গ তটিনীর জনশূন্য তীরে
নিঃশব্দে নামিল আসি সায়াহ্নচ্ছায়ায়
নিস্তব্ধ গগনপ্রান্ত নির্বাক্ ধরায়।
সেইক্ষণে বাতায়নে নীরব নির্জন
আমাদের দুজনের প্রথম চুম্বন।
দিক্-দিগন্তরে বাজি উঠিল তখনি
দেবালয়ে আরতির শঙ্খঘণ্টাধ্বনি।
অনন্ত নক্ষত্রলোক উঠিল শিহরি,
আমাদের চক্ষে এল অশ্রুজল ভরি।
Related Articles
তোমার দু’চোখ শুধু জেগে থাকে
তোমার দু’চোখ শুধু জেগে থাকে, অন্য কিছু নয়— নিভে গেছে সকল প্রদীপ, সভ্যতার সূর্যাস্তের পর চারদিক বড়বেশি শুনশান—উড়ে গেছে ‘মূল্যবোধ’-নাম্নী সংরক্ষিত গ্রন্থের সকল পাতা— পৃথিবীর মূল্যবান গ্রন্থগুলি সফেদ কাগজ ছাড়া আর কিছু নয়—বন্ধুত্বের সর্বশেষ রজ্জু ছিন্নভিন্ন, বিশ্বস্ত ব্যাংকের ভল্ট থেকে সঙ্গোপনে উধাও হয়েছে শেষ সোনাদানা, কংক্রিটের শক্ত বাড়িগুলি লন্ডভন্ড, মুখ থুবড়ে প’ড়ে আছে সব পথের […]
আমি যাই
যেখানেই থাকো এপথে আসতেই হবে ছাড়ান্ নেই সম্বল বলতে সেই দিন কয়েকের গল্প অল্প অল্পই আমি যাই তোমরা পরে এসো ঘড়ি-ঘন্টা মিলিয়ে শাক-সবজি বিলিয়ে তোমরা এসো
পরাণ মাঝি হাঁক দিয়েছে
অনেকক্ষণ বৃষ্টি থেমে গেছে বৃষ্টি থেমে গেছে অনেকক্ষণ, ফুটো চাল থেকে আর জল গড়িয়ে পড়বে না খোকাকে শুইয়ে দাও। খোকাকে শুইয়ে দাও তোমার বুকের ওম থেকে নামিয়ে ওই শুকনো জায়গাটায় শুইয়ে দাও, গায়ে কাঁথাটা টেনে দাও অনেকক্ষণ বৃষ্টি থেমে গেছে। মেঘের পাশ দিয়ে কেমন সরু চাঁদ উঠেছে তোমার ভুরুর মতো সরু চাঁদ তোমার চুলের মতো […]

