স্তব্ধ হল দশ দিক নত করি আঁখি—
বন্ধ করি দিল গান যত ছিল পাখি।
শান্ত হয়ে গেল বায়ু, জলকলস্বর
মুহূর্তে থামিয়া গেল, বনের মর্মর
বনের মর্মের মাঝে মিলাইল ধীরে।
নিস্তরঙ্গ তটিনীর জনশূন্য তীরে
নিঃশব্দে নামিল আসি সায়াহ্নচ্ছায়ায়
নিস্তব্ধ গগনপ্রান্ত নির্বাক্ ধরায়।
সেইক্ষণে বাতায়নে নীরব নির্জন
আমাদের দুজনের প্রথম চুম্বন।
দিক্-দিগন্তরে বাজি উঠিল তখনি
দেবালয়ে আরতির শঙ্খঘণ্টাধ্বনি।
অনন্ত নক্ষত্রলোক উঠিল শিহরি,
আমাদের চক্ষে এল অশ্রুজল ভরি।
Related Articles
পাওয়া
অন্ধকারে তোমার হাত ছুঁয়ে যা পেয়েছি, সেইটুকুই তো পাওয়া যেন হঠাৎ নদীর প্রান্তে এসে এক আঁজলা জল মাথায় ছুঁইয়ে যাওয়া।
নেত্রকোনা
৩৩. নেত্রকোনা কতো দিন তোমাকে দেখি না তুমি ভালো আছো? সুখে আছো? বোন নেত্রকোনা। আমাকে কি চিনতে পেরেছো? আমি ছিলাম তোমার এক আদরের নাগরিক নিকট-আত্মীয় আমাদের বড়ো বেশি মাখামাখি ছিলো, তারপর কী থেকে কী হলো আভাইগা কপাল শুধু বিচ্ছেদের বিষে নীল হলো। দোহাই লক্ষ্মী মেয়ে কোন দিন জিজ্ঞেস করো না আমি কেন এমন হলাম জানতে […]
সমাপ্তি
বস্তুরা পতিত হয় অথবা মলিন বিস্ফোরিত হয় না কখনো যে রকম সূর্যালোকে ফিকে হয় দ্রুত যেমন বালুকারাশি শুষে নেয় ফেনা এমন কি প্রেমের বিদ্যুচ্ছটা সাঙ্গ হয় না বজ্রের গর্জনে ঝামাপাথরের রুক্ষ মালিনো ফুলের সৌন্দর্য যেন সশব্দে বিলীন সবকিছু এমনই তো অবিকল এমনই রূপ নিতে থাকে। আমরা নিপতিত নৈঃশব্দে এমন বেটোফেনের মাথার চারপাশব্যাপী যে অপার নিঃশব্দ […]

