লেখা আমার মা,
আমায় ছেড়ে যেন তুমি কোথাও যেও না ….
এই যে এত আলস্য আর নিজেকে এত ঘৃণা
ঘোষিত নির্বিবেক থেকে অমানদক্ষিণা,
এ-সব থেকে নিষ্ক্রমণের তেমন কোনো ভূমি
থাকলে পরে সেই মাটিতে পৌঁছে দিও তুমি।
লেখা আমার মা,
আঁচল দিয়ে আগলে রেখো, কোথাও যেও না।
বাতাস যদি নিজেকে দেয় বীজন
গন্ধ যদি নিজের ঘ্রাণে আকুল,
পানীয় যদি নিজেকে পান করে
জীবন তবে নিজের সমতুল।
লেখা কি তবে নিজেকে লিখে যায়,
মা কি আমি ….আমিই তবে মা?
আমায় ছেড়ে যেন আমি কোথাও যাই না ।
Related Articles
কথোপকথন-৩৮
-নন্দিনী! আমার খুব ভয় করে ,বড় ভয় করে! কোনও একদিন বুঝি জ্বর হবে ,দরজা দালান ভাঙ্গা জ্বর তুষার পাতের মত আগুনের ঢল নেমে এসে নিঃশব্দে দখল করে নেবে এই শরীরের শহর বন্দর। বালিশের ওয়াড়ের ঘেরাটোপ ছিঁড়ে ফেলা তুলো এখন হয়েছে মেঘ,উঁড়ো হাস, সাঁদা কবুতর। সেই ভাবে জ্বর এসে আমাকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে অন্য কোন ভুমন্ডলে […]
সবুজে ও নীলজলে
যে কথা শোনার জন্যে উৎকর্ণ সবাই কেউ না কেউ সে কথা বলবেই জানি, বলতে তাকে হবে- যে জন অর্জন আজ করেছে যোগ্যতা দীর্ঘ অনুধ্যানে সে কথা শুনবে তারা পাহাড়ে-পর্বতে-সমতলে বসবাস করে যারা অনন্য মানুষ, অবশ্যই ‘সে’ও ক্রমে পরিণত হবে ‘তিনি’ত্বের মর্যাদায়; তিনি তো আছেন আমাদেরই মধ্যে দীনহীন বাস তাঁর দীর্ঘদিন এই সবুজে ও নীলজলে, সমতটে […]
সেরগেই এসেনিন বলছে
ইসাডোরা, বার্লিনে তোমার সঙ্গে আছি আমি। আমার সঙ্গে আরেক কবি – গাধাও বলতে পারো – গলায় ঝোলানো গিটার, খামোখাই, বাজাতে-টাজাতে পারে না। কোত্থেকে এলেন আমাদের সেই মহাকথাশিল্পী, ম্যাকসিম গোর্কি। চেহারা ভাঙাচোরা হলে কী হবে, চোখ দুটিতে তাঁর যেন ছুরির ঝলক, সেই চোখ সব-কিছুর অন্তস্তলে ঢুকে যায়। আমার দিকে তাকিয়ে গোর্কি, চোখে স্নেহ ঝরে পড়ছে, বললেন, […]

