কবিতা

যবনিকার ভূমিকা

বসি কাহারো লাগি, ঐ পথ চাহি, আলোখানি জ্বালিয়া
কে এসেছিল? কে বা তাহা জানে, মনের সে ভাঙা দ্বার খুলিয়া
মনের কুঁড়ি, ফুল হবে যবে, ফেলনা তাহারে তুলিয়া

আপন গৃহ ত্যাজি, তারে হেরি ফিরি আজি, এই পরবাসে
সকল রাগ-অনুরাগ, ঐ বয়ে যায় বিষণ্ণ বাতাসে
সুবিজন দেশে, ধাই অনিমেষে, কেন তবু আজি আঁখি ভরে আসে

দগ্ধ রাজপথে একাকীত্ব সাথে, নাহি তব অঞ্চল ছায়া
দূর হতে এসে, ধুসর প্রান্ত ঘেঁষে, ফুটে ওঠে তব কায়া
ভূলিবারে চাই, মনে দাগা পাই, এ হৃদয় বড়ই বেহায়া

প্রবাহিত রাতে, শপথের ঘাতে, শ্বাসযন্ত্র ছুটি চায়
যে জন গিয়াছে অগ্রে, কেন জানি তারি পাছে সবে ধায়
শ্রান্ত তনু, কোমল শয্যা বা জ্বলন্ত চিতা, যাহা মেলে তারে নেব আপনায়।

ঝরাপাতা
ঝরাপাতা
ঝরাপাতা জন্মঃ ২১জুলাই, ১৯৮৭ পিতা ভারতীয় সেনা বাহিনীর কর্মী হওয়ার কারনে, ভারতের, উত্তর প্রদেশ রাজ্যের ঝান্সির "আর্মি বেস ক্যম্পের কমান্ডো হসপিটালে জন্ম"। জন্মের অল্প কিছুদিন পর পিতা অবসর গ্রহণ করেন ও পাকাপাকি ভাবে পশ্চিমবঙ্গে বসবাস শুরু করেন। সেই সূত্রে, ২০০৩ সালে পশ্চিম বঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার জেলার, জেলা সদর বারাসাতের, প্যরীচরন সরকার রাষ্ট্রীয় উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক পাশ করে। এরপর ২০০৫ সালে বারাসাত মহত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য শাখায় পড়াশোনা। কাবিতার প্রেমে পড়াও এই সময় থেকে। পরে ২০০৮ সালে ব্যারাকপুর রাস্ত্রগুরু সুরেন্দ্র নাথ কলেজে বাণিজ্য শাখার "মার্কেটিং ম্যানেজমেন্ট" নিয়ে পড়াশোনা। এই সময় গঙ্গা পাড়ের ক্যাম্পাস থেকে বাণিজ্য বিভাগ অন্য ক্যাম্পাস স্থানান্তরিত করা হলে , প্রতিবাদে কলেজ আসা বন্ধ করে, শুধুমাত্র পরীক্ষার সময় এসে পরীক্ষা দিয়ে যেত। কলেজ না গিয়ে গঙ্গাপাড়ের বিভিন্ন ঘাটগুলিতে ঘুরে বেড়াত সারাদিন। কবিতা লেখার সূত্রপাত এখান থেকেই। এরপর কৃতিত্তের সাথেই স্নাতক ডিগ্রি লাভ করে। পরে কিছুদিন বেসরকারি প্রতিস্থানে "মার্কেটিং বা বিপনন" বিভাগের দায়িত্ত্ব সামলায়। পরে চারি ছেড়েও দেয় ও পূর্ণ রুপে লেখালিখি শুরু করে।

2 thoughts on “যবনিকার ভূমিকা

Comments are closed.