এক পা এগিয়ে দুই পা পিছানো
এই খেলা আর নয়
যাদের রক্তে উঠেছে সূর্য
গেয়ে ওঠো তারই জয়।
যেতে হবে বহুদূর
দূরের নকিব ভাবছে তোমাকে
বুক কাঁপে দুরুদূর।
ভয়ের মাসুল দিয়েছো অনেক
জয়ের মাল্য চাই
এসো একবার এই প্রান্তরে
বিজয়ের গান গাই।
জয়ের চিহ্ন তোমার ললাটে
ঘাম হয়ে গেছে নেমে
সঙ্গীত কতো বেজেছে আকাশে
পা কেন থাকবে থেমে।
গাও পতাকার গান
ওই পতাকায় আঁকা আছে
কতো অশ্রু ও অভিমান।
Related Articles
বেক্তিগত বিছানা
১. শুধু রাধিকাই নয় — গণিকাও ঋতুমতী হয় তিন সন্তানের পিতা — পরিবার পরিকল্পনার আদর্শপুরুষ কৈশোরে করে থাকে আত্মমৈথুন — করে না কি ? ২. আমি রবীন্দ্রনাথ হতে চাই না — হতে চাই না রঘু ডাকাত আমি ফালগুনী রায় হতে চাই — শুধুই ফালগুনী রায় ৩. আমি যে-রাস্তায় থাকি তার একপ্রান্তে প্রসূতিসদন অন্যপ্রান্তে শ্মশানঘাট ৪. […]
পৈতৃক আঙন
গোধূলিগগনে মেঘে ঢেকেছিল তারা, যুদ্ধ ছাড়াই ধ্বংসাবশেষে বাস তোমাকে দেখলে মনে হয় আজীবন বাস্তুহারা, শূন্যতার ভিতরে হিংসতার সন্ত্রাস প্রণয়বশে কিছুই দেবে না জন্মের দেশ, কেটে যায় বেলা, সূর্যাস্তে আকাশকুসুমচয়ন বহমান রক্ত যখন নিঃশেষ ভস্মের ভিতরে মাতৃভূমি, পৈতৃক আঙন জার্মানিপ্রবাসী
আড়াল
আমি আড়াল চেয়েছিলাম চার কিনারে । কিন্তু প্রভু ভুল কোরো না রাত্রিসকাল পথই আমার পথের আড়াল । দু-হাত তোমায় বাড়িয়ে দিইনি সে কি কেবল আত্মাভিমান ? যখন মুঠো খুলতে গেছি হাতের রেখায় দীনাতিদীন কাল রজনীর নিস্ফলতা চাবুক মারে । এখনো তো ঠিক সময় নয় তো, শরীর আমার জন্মজামিন পথিক জনস্রোতের টান তার ভিতরে এমন উজান […]

