প্রিয়তম পাতাগুলি ঝরে যাবে মনেও রাখবে না
আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম -কেন আমি
সংসারী না হয়ে খুব রাগ করে হয়েছি সন্ন্যাসী
হয়েছি হিরণ দাহ, হয়েছি বিজন ব্যথা, হয়েছি আগুন !
আমি এ আঁধার স্পর্শ করে কেন তাকে বলেছি হৃদয়,
তৃষ্ণায় তাড়িত তবু কেন তাকে বলেছি ভিক্ষুক
আমি এ জলের পাত্রে জল চাই না, বিষ চাই বিষও তো পানীয় !
প্রিয়তম পাতাগুলি ঝরে যাবে মনেও রাখবে না
আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম, কেন আমি
এ বুক স্পর্শ করে বলেছি একদিন গ্রীস, কলহাস্য, অদিতি উৎসব !
আমি তাম্রলিপি আমি হরপ্পার যুগল মূর্তির কার কে ?
কী আমার অনুভূতি ? কোনোদিন কোনোই নারীকে
কেন আমি বলিনি মাতৃত্ব ? কেন বলেছি নির্জন ?
প্রিয়তম পাতাগুলি ঝরে যাবে মনেও রাখবে না
আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম, সঙ্ঘমিত্রা নাকি সে সুদূর
সভ্যতাসন্ধির রাণী, অন্য কোনো অশোকের বোন,
হয়েছি এখন আমি কেন বা এমন প্রবাহিত ?
Related Articles
কবিকে লিখতে দাও
তুমি কথা বলো চোখ দিয়ে, ঠোঁট দিয়ে নয়, অকাট মূর্খ আমি সে ভাষা বুঝতে কষ্ট হয়। আঙুল ভাসিয়ে দিয়ে বাতাসে চিত্রকলা আঁকো, জোছনার কাঁথা মুড়ে নক্ষত্রের পালঙ্কে শুয়ে থাকো। তোমার গহন চুলে আকাশ ছড়িয়ে দেয় নীল, শাড়ির আঁচল থেকে উড়ে যায় ধবল গাঙচিল। আমি তো গো-মূর্খ বুঝি না কিছুই এই ভাষা, জয়ের স্বপ্ন নিয়ে অযথা […]
গর্ভধারিনী
বন্ধ চোখের অন্ধকারে যে আলোয় তোমাকে দেখি, তেমনই কি আলোকিত আধার তোমার গর্ভ? শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে তোমার কোলে যে উষ্ণতা, তেমনই কি মমতা মাখা ওম ওম তোমার জঠর? নৈঃশব্দের নিরবতা ভেঙে অস্ফুট যে শব্দ ফিসফিস করে, তেমনই কি মৌনতার গানে মুখরিত তোমার অন্তর? ঝিনুক যেমন শক্ত শাঁসে আগলে রাখে মুক্তো, তেমনই কি […]
তুমিও আমাকে ডাকবে
মানুষের নাম কোনোদিন লুকোনো থাকে না, একজন যখন আরেকজনকে নাম ধরে ডাকে তখনই মানুষের নাম জানা হয়ে যায়। মানুষ ডাকে, মানুষ না ডেকে পারে না। মানুষের দিকে কান পেতে রাখো, শোনো, তুমি অনেক মানুষের নাম জানতে পারবে। কত বিচিত্র রকমের নাম যে আছে মানুষের। তাদের সঙ্গে কথা না বলেও, তাদের নাম জিজ্ঞেস না করেও অনেক […]

