প্রিয়তম পাতাগুলি ঝরে যাবে মনেও রাখবে না
আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম -কেন আমি
সংসারী না হয়ে খুব রাগ করে হয়েছি সন্ন্যাসী
হয়েছি হিরণ দাহ, হয়েছি বিজন ব্যথা, হয়েছি আগুন !
আমি এ আঁধার স্পর্শ করে কেন তাকে বলেছি হৃদয়,
তৃষ্ণায় তাড়িত তবু কেন তাকে বলেছি ভিক্ষুক
আমি এ জলের পাত্রে জল চাই না, বিষ চাই বিষও তো পানীয় !
প্রিয়তম পাতাগুলি ঝরে যাবে মনেও রাখবে না
আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম, কেন আমি
এ বুক স্পর্শ করে বলেছি একদিন গ্রীস, কলহাস্য, অদিতি উৎসব !
আমি তাম্রলিপি আমি হরপ্পার যুগল মূর্তির কার কে ?
কী আমার অনুভূতি ? কোনোদিন কোনোই নারীকে
কেন আমি বলিনি মাতৃত্ব ? কেন বলেছি নির্জন ?
প্রিয়তম পাতাগুলি ঝরে যাবে মনেও রাখবে না
আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম, সঙ্ঘমিত্রা নাকি সে সুদূর
সভ্যতাসন্ধির রাণী, অন্য কোনো অশোকের বোন,
হয়েছি এখন আমি কেন বা এমন প্রবাহিত ?
Related Articles
একটি চুক্তিপত্রের বিষয়-আশয়
তোমার সঙ্গে আমি একটা চুক্তি করতে চাই, এই নাও টাকা, মাকড়সার মতো তুমি বিছিয়ে রেখেছো তোমার হাত চারিদিকে, ছুঁতে পারো আকাশ, আমিও আকাশ ছোঁবো, শীতল মেঘের স্লাইস দিয়ে ভিজিয়ে নেবো ঠোঁট, তুমি আমাকে নিয়ে যাবে গহীন অরণ্যে, একমুঠো অন্ধকার আমি তুলে রাখাবো মানিব্যাগে, শরীরের জ্যামিতি ভাঙার জন্য তুমি আমাকে নিয়ে যাবে ব্রোথেলে, উষ্ণ শরীর থেকে […]
না থাকা
একটি ভীষণ না-থাকাকে সঙ্গে নিয়ে আমি প্রতি রাত্তিরে ঘুমোতে যাই; ঘুমোই, ঘুম থেকে উঠি, কলঘরে যাই — না-থাকাটি সঙ্গে থাকে। দিনের হই চই শুরু হয়ে যায় দিনের শুরুতেই, একশ একটা লোকের সঙ্গে ওঠাবসা– এই কর সেই করর দৌড়োদৌড়ি– লেখালেখি– এ কাগজ পাচ্ছি তো ও কাগজ গেল কই! হাটবাজার, খাওয়াখাদ্যি, সব কিছুর মধ্যে ওই না-থাকাটি থাকে। […]
বিদায়ী কৈশর আমার
তিল তিল করে বেড়ে উঠার মাছরাঙা রঙধনুর শৈশব কৈশর সেই সব দিন– ধীরে ধীরে, একটু একটু করে স্মৃতি হয়ে যায় আজ তারে বলছি বিদায়… জলের ঝাপ্টায় ঘুম তাড়ানো সকাল শার্টেরএলোমেলো লাগানো বোতাম কাধে ব্যাগ, ভারী বোঝা, ক্লাস রুম, হই-হুল্লোর সব চুপ হয় যখন টিচার রুমে- আমি বিভোর, সেইসব দিনগুলোয় আজ কেন বলছি বিদায়… ব্যাটে বলে […]

