প্রিয়তম পাতাগুলি ঝরে যাবে মনেও রাখবে না
আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম -কেন আমি
সংসারী না হয়ে খুব রাগ করে হয়েছি সন্ন্যাসী
হয়েছি হিরণ দাহ, হয়েছি বিজন ব্যথা, হয়েছি আগুন !
আমি এ আঁধার স্পর্শ করে কেন তাকে বলেছি হৃদয়,
তৃষ্ণায় তাড়িত তবু কেন তাকে বলেছি ভিক্ষুক
আমি এ জলের পাত্রে জল চাই না, বিষ চাই বিষও তো পানীয় !
প্রিয়তম পাতাগুলি ঝরে যাবে মনেও রাখবে না
আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম, কেন আমি
এ বুক স্পর্শ করে বলেছি একদিন গ্রীস, কলহাস্য, অদিতি উৎসব !
আমি তাম্রলিপি আমি হরপ্পার যুগল মূর্তির কার কে ?
কী আমার অনুভূতি ? কোনোদিন কোনোই নারীকে
কেন আমি বলিনি মাতৃত্ব ? কেন বলেছি নির্জন ?
প্রিয়তম পাতাগুলি ঝরে যাবে মনেও রাখবে না
আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম, সঙ্ঘমিত্রা নাকি সে সুদূর
সভ্যতাসন্ধির রাণী, অন্য কোনো অশোকের বোন,
হয়েছি এখন আমি কেন বা এমন প্রবাহিত ?
Related Articles
যাই, যাই
আজ আবার আমার ইচ্ছা হলো যাই বর্ধমানে, সেই একটুখানি ইস্টিশনে, হাই তুলতে তুলতে যাই বটগ্রামে শিউলিতলায় যেখানে দাঁড়িয়ে আমি কোনওদিন ফটোগ্রাফ তুলি নাই হে আমার মোরগের চোখের মতন খুব ছেলেবেলা ! চলো তাকে তুলে আনি, তবু বলো আগে কেন আনি নাই ? অথচ স্বপ্নের মধ্যে শিউলি-গাছের মতো আমার মা দারুন সুগন্ধ সঙ্গে নিয়ে একনও দাঁড়িয়ে […]
বিষ
যেমন রক্তের মধ্যে জন্ম নেয় সোনালি অসুখ তারপর ফুটে ওঠে ত্বকে মাংসে বীভৎস ক্ষরতা। জাতির শরীরে আজ তেম্নি দ্যাখো দুরারোগ্য ব্যাধি ধর্মান্ধ পিশাচ আর পরকাল ব্যবসায়ি রূপে ক্রমশঃ উঠছে ফুটে ক্ষয়রোগ, রোগের প্রকোপ একদার অন্ধকারে ধর্ম এনে দিয়েছিল আলো, আজ তার কংকালের হাড় আর পঁচা মাংসগুলো ফেরি কোরে ফেরে কিছু স্বার্থাণ্বেষী ফাউল মানুষ- সৃষ্টির অজানা […]
সবচে’ দুখের কবিতা
অনুবাদ:জি.এম.তানিম আমি আজ রাতে সবচে’ দুখের কবিতা লিখতে পারি। লিখতেই পারি (যেন মনে করো): “হাজার তারার মেলা, রাতের আকাশে, নীলচে তারারা মিটিমিটি জ্বলে দূরে।” রাতজাগা হাওয়া হারায় আকাশে ঘুমমাখা গান গেয়ে । আমি আজ রাতে সবচে’ দুখের কবিতা লিখতে পারি। ভালোবেসেছিল এই মন তাকে, মাঝে মাঝে সেও মোরে। এমন অনেক আনমনা রাতে তাকে দুই হাতে […]

