কবিতা

মুখোশ

মাঝে মাঝে……

নিজেকে বড্ড অচেনা লাগে!

আমি কে, আমি তা ভুলে যাই!

প্রতিনিয়ত নিজের মাঝে বসত করে যেই জন,

প্রায়সই আমি তাঁকে খুঁজি…

সকাল-দুপুর-বিকেল-সন্ধ্যা

গভীর রাত অথবা খুব ভোরে…!

যখন কালচে ধুষর আকাশে, জেগে থাকে শুধু ঐ শুকতারাটি !

অথবা যখন আমার চারপাশের পৃথিবীতে, শত চেষ্টা করেও কেউ আর জেগে থাকেতে পারে না!

এমন কি ঘুমের মধ্যেও……

যখন মানুষ অবচেতন মনে, তার না পাওয়াগুলো … আঁকড়ে ধরতে চায়!

যখন মানুষ কোন ব্যবধান মানতে চায় না,  কোনভাবেই!

যখন মানুষ শুধু একান্তই তার নিজের জগত নিয়ে থাকতে ভালোবাসে!

যখন মানুষ নিজের জগতের স্রষ্টা হতে চায়… কেবল নিজেই!

আমি তখনও সেই হারিয়ে যাওয়া আমাকে খুঁজি  মানুষ’ !

কেন হারিয়ে যাও…বারে বারে?

কেন আমায়, তোমার অনুসন্ধানে মত্ত রাখো?

মানুষের নিজের মধ্যকার মানুষটি, এভাবে হারিয়ে যায় কেন…

যাকে ঘিরে বাঁচে মানুষ!

যাকে তিলে তিলে গড়ে মানুষ… আজন্ম কাল থেকে!

তাঁকে এইভাবে খুঁজতে হয় কেন?

কেন খুঁজতে হবে?

কেন তাকে খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত হতে হবে?

কেন সে এইভাবে হারিয়ে যাবে?

যাকে ছাড়া অচল আমি  বড্ড একাকী?

অবুঝ শিশুর মতো!

হাঁটতে জানি না…, চলতে জানি না!

বাক রুদ্ধ হয়ে থাকি!

আমার পৃথিবী নিথর,নিস্তব্ধ হয়ে থাকে…

শুধু তাঁর কারনে… !

কি কারনে হারিয়ে যায় সে!

কি কারনেই –বা  আমি তাঁকে খুঁজি বারে বারে!

শুধু কী আরও একবার…… ফিরে পাবো বলে-ই  ?

০৬।২২।২০১০