লেখা আমার মা,
আমায় ছেড়ে যেন তুমি কোথাও যেও না ….
এই যে এত আলস্য আর নিজেকে এত ঘৃণা
ঘোষিত নির্বিবেক থেকে অমানদক্ষিণা,
এ-সব থেকে নিষ্ক্রমণের তেমন কোনো ভূমি
থাকলে পরে সেই মাটিতে পৌঁছে দিও তুমি।
লেখা আমার মা,
আঁচল দিয়ে আগলে রেখো, কোথাও যেও না।
বাতাস যদি নিজেকে দেয় বীজন
গন্ধ যদি নিজের ঘ্রাণে আকুল,
পানীয় যদি নিজেকে পান করে
জীবন তবে নিজের সমতুল।
লেখা কি তবে নিজেকে লিখে যায়,
মা কি আমি ….আমিই তবে মা?
আমায় ছেড়ে যেন আমি কোথাও যাই না ।
Related Articles
কথিত কথিকা
চশমার ফাঁকে চড়ুই-চোখা দুষ্টুমিতে প্রতীয়মান ক্ষণজন্মা অশ্রু, তাড়িয়ে বেড়ায় বোহেমীয় হৃদয় । নাবালিকা, ও চোখে অশ্রু দেখার জন্য কাঠখড়ের মতো পোড়াই নি এতো চন্দ্রালোক ! ছলছল দুচোখ যেন হরিণী বৃষ্টি- অমন বৃষ্টি চাই নি, নাবালিকা ! সদ্য ভূমিষ্ঠ সুখের পায়তারা- সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসুক কপোলে । যে ভাষা ভালোবাসা শিখিয়েছিল- প্রতীক্ষিত জলের মতো নির্বাক কথা […]
জীবন মানে
খর স্রোতে খড় ভেসে যায়। সে কি হারায়? হারিয়ে যায়? খরের আগায় একটি পোকা তর পেয়ে যায়, তর পেয়ে যায়। আয়না বড় ব্যপ্ত ওকে আঁজলা ভরে দ্যাখ। তারণ মানে কেমন বাওয়া কোন তরণী কেমন হাওয়া লাগছে পালেঃ কালই জানে। কালই জানে যাপন মানে, জীবন মানে।
মাস্টার বাবু
আমি আজ কানাই মাস্টার, বড় মোর বেড়াল ছানাটি আমি ওকে মারি নে মা বেত, মিছিমিছি বসি নিয়ে কাঠি। রোজ রোজ দেরি করে আসে, পড়াতে দেয় না ও তো মন, ডান পা তুলিয়ে তোলে হাই, যত আমি বলি ‘শোন, শোন’। দিনরাত খেলা খেলা খেলা, লেখা পড়ায় ভারি অবহেলা। আমি বলি ‘চ ছ জ ঝ ঞ’ ও […]

