লেখা আমার মা,
আমায় ছেড়ে যেন তুমি কোথাও যেও না ….
এই যে এত আলস্য আর নিজেকে এত ঘৃণা
ঘোষিত নির্বিবেক থেকে অমানদক্ষিণা,
এ-সব থেকে নিষ্ক্রমণের তেমন কোনো ভূমি
থাকলে পরে সেই মাটিতে পৌঁছে দিও তুমি।
লেখা আমার মা,
আঁচল দিয়ে আগলে রেখো, কোথাও যেও না।
বাতাস যদি নিজেকে দেয় বীজন
গন্ধ যদি নিজের ঘ্রাণে আকুল,
পানীয় যদি নিজেকে পান করে
জীবন তবে নিজের সমতুল।
লেখা কি তবে নিজেকে লিখে যায়,
মা কি আমি ….আমিই তবে মা?
আমায় ছেড়ে যেন আমি কোথাও যাই না ।
Related Articles
প্রত্যাবর্তন
৩৭. প্রত্যাবর্তন প্রত্যাবর্তনের পথে কিছু কিছু ‘কস্ট্লি’ অতীত থেকে যায়। কেউ ফেরে, কেউ কেউ কখনো ফেরে না। কেউ ফিরে এসে কিছু পায়, মৌলিক প্রেমিক আর কবি হলে অধিক হারায়। তবু ফেরে, কেউ তো ফেরেই, আর জীবনের পক্ষে দাঁড়ায়, ভালোবাসা যাকে খায় এইভাবে সবটুকু খায়। প্রত্যাবর্তনের প্তহে পিতার প্রস্থান থেকে, থাকে প্রণয়ের প্রাথমিক স্কুল, মাতার মলিন […]
তোর বহির্মুখ, মুখপুড়ি
তোর বহির্মুখী দেহ, আদরক্লান্ত ঘামে, মুখপুড়ি মেছোমেয়ে আলুথালু মরশুমে, বেড়ে ও ফিকিরহীন, অপপ্রচারে, বুঝলি জাহাজ ভাসাতে চাইছে পিম্পদের ঘোড়েল জোয়ারে ! হাউ সিলি ! নো ? কী বলিস, ডারলিং, সুইটি পাই ? তোর নাব্য নগ্নতা গ্লসি কাগজের চারু মলাটে হেলান দিয়ে পুজো সংখ্যার মোটা বেহেডদের পাশে শুয়ে করছেটা কী ? বল তুই ? তোর কোনো […]
সবচে’ দুখের কবিতা
অনুবাদ:জি.এম.তানিম আমি আজ রাতে সবচে’ দুখের কবিতা লিখতে পারি। লিখতেই পারি (যেন মনে করো): “হাজার তারার মেলা, রাতের আকাশে, নীলচে তারারা মিটিমিটি জ্বলে দূরে।” রাতজাগা হাওয়া হারায় আকাশে ঘুমমাখা গান গেয়ে । আমি আজ রাতে সবচে’ দুখের কবিতা লিখতে পারি। ভালোবেসেছিল এই মন তাকে, মাঝে মাঝে সেও মোরে। এমন অনেক আনমনা রাতে তাকে দুই হাতে […]

