নীলাম্বরী শাড়ি পরি নীল যমুনায়
কে যায় কে যায় কে যায়
যেন জলে চলে থল-কমলিনী
ভ্রমর নূপুর হয়ে বোলে পায় পায়।
কলসে কঙ্কনে রিনিঠিনি ঝনকে
চমকায় উন্মন চম্পা বনকে
দলিত অঞ্জন নয়নে ঝলকে
পলকে খঞ্জন হরিণী লুকায়।
অঙ্গের ছন্দে পলাশ মাধবী অশোক ফোটে
নূপুর শুনি বনতুলসীর মঞ্জরী উলসিয়া ওঠে।
মেঘ বিজড়িত রাঙা গোধূলি
নামিয়া এল বুঝি পথ ভুলি
তাহার অঙ্গ তরঙ্গ বিভঙ্গে
কুলে কুলে নদীজল উথলায়।।
Related Articles
আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে
আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে, আসে বৃষ্টির সুবাস বাতাস বেয়ে॥ এই পুরাতন হৃদয় আমার আজি পুলকে দুলিয়া উঠিছে আবার বাজি নূতন মেঘের ঘনিমার পানে চেয়ে॥ রহিয়া রহিয়া বিপুল মাঠের ‘পরে নব তৃণদলে বাদলের ছায়া পড়ে। ‘এসেছে এসেছে’ এই কথা বলে প্রাণ, ‘এসেছে এসেছে’ উঠিতেছে এই গান– নয়নে এসেছে, হৃদয়ে এসেছে ধেয়ে॥ Abar eseeche ashar
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়, কী আছে শেষে! এত কামনা, এত সাধনা কোথায় মেশে। ঢেউ ওঠে পড়ে কাঁদার, সম্মুখে ঘন আঁধার, পার আছে গো পার আছে– পার আছে কোন্ দেশে। আজ ভাবি মনে মনে মরীচিকা-অন্বেষণে হায় বুঝি তৃষ্ণার শেষ নেই। মনে ভয় লাগে সেই– হাল-ভাঙা পাল-ছেঁড়া ব্যথা চলেছে নিরুদ্দেশে ॥ পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়
তুমি এ-পার ও-পার কর কে গো ওগো খেয়ার নেয়ে?
তুমি এ-পার ও-পার কর কে গো ওগো খেয়ার নেয়ে? আমি ঘরের দ্বারে বসে বসে দেখি যে সব চেয়ে।। ভাঙিলে হাট দলে দলে সবাই যাবে ঘরে চলে আমি তখন মনে ভাবি আমিও যাই ধেয়ে।। দেখি সন্ধ্যাবেলা ও পার-পানে তরণী যাও বেয়ে। দেখে মন যে আমার কেমন করে, ওঠে যে গান গেয়ে ওগো খেয়ার নেয়ে।। কালো জলের […]

