নীলাম্বরী শাড়ি পরি নীল যমুনায়
কে যায় কে যায় কে যায়
যেন জলে চলে থল-কমলিনী
ভ্রমর নূপুর হয়ে বোলে পায় পায়।
কলসে কঙ্কনে রিনিঠিনি ঝনকে
চমকায় উন্মন চম্পা বনকে
দলিত অঞ্জন নয়নে ঝলকে
পলকে খঞ্জন হরিণী লুকায়।
অঙ্গের ছন্দে পলাশ মাধবী অশোক ফোটে
নূপুর শুনি বনতুলসীর মঞ্জরী উলসিয়া ওঠে।
মেঘ বিজড়িত রাঙা গোধূলি
নামিয়া এল বুঝি পথ ভুলি
তাহার অঙ্গ তরঙ্গ বিভঙ্গে
কুলে কুলে নদীজল উথলায়।।
Related Articles
তোমার আমার এই বিরহের অন্তরালে
তোমার আমার এই বিরহের অন্তরালে কত আর সেতু বাঁধি সুরে সুরে তালে তালে ॥ তবু যে পরানমাঝে গোপনে বেদনা বাজে– এবার সেবার কাজে ডেকে লও সন্ধ্যাকালে ॥ বিশ্ব হতে থাকি দূরে অন্তরের অন্তঃপুরে, চেতনা জড়ায়ে রহে ভাবনার স্বপ্নজালে। দুঃখ সুখ আপনারই সে বোঝা হয়েছে ভারী, যেন সে সঁপিতে পারি চরম পূজার থালে ॥ <iframe […]
আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে
আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে যে কথা শুনায়েছি বারে বারে॥ আমার পরানে আজি যে বাণী উঠিছে বাজি অবিরাম বর্ষণধারে॥ কারণ শুধায়ো না, অর্থ নাহি তার, সুরের সঙ্কেত জাগে পুঞ্জিত বেদনার। স্বপ্নে যে বাণী মনে মনে ধ্বনিয়া উঠে ক্ষণে ক্ষণে কানে কানে গুঞ্জরিব তাই বাদলের অন্ধকারে॥
এবার বুঝি ভোলার বেলা হল
এবার বুঝি ভোলার বেলা হল– ক্ষতি কী তাহে যদি বা তুমি ভোলো॥ যাবার রাতি ভরিল গানে সেই কথাটি রহিল প্রাণে, ক্ষণেক-তরে আমার পানে করুণ আঁখি তোলো॥ সন্ধ্যাতারা এমনি ভরা সাঁঝে উঠিবে দূরে বিরহাকাশমাঝে। এই-যে সুর বাজে বীণাতে যেখানে যাব রহিবে সাথে, আজিকে তবে আপন হাতে বিদায়দ্বার খোলো॥ ebar bujhi bholar bela holo


