দে পড়ে দে আমায় তোরা কী কথা আজ লিখেছে সে।
তার দূরের বাণীর পরশমানিক লাগুক আমার প্রাণে এসে॥
শস্যখেতের গন্ধখানি একলা ঘরে দিক সে আনি,
ক্লান্তগমন পান্থহাওয়া লাগুক আমার মুক্ত কেশে॥
নীল আকাশের সুরটি নিয়ে বাজাক আমার বিজন মনে,
ধূসর পথের উদাস বরন মেলুক আমার বাতায়নে।
সূর্য ডোবার রাঙা বেলায় ছড়াব প্রাণ রঙের খেলায়,
আপন-মনে চোখের কোণে আশ্রু-আভাস উঠবে ভেসে॥
Related Articles
অন্তরে জাগিছ অন্তরযামী।
অন্তরে জাগিছ অন্তরযামী। তবু সদা দূরে ভ্রমিতেছি আমি ॥ সংসার সুখ করেছি বরণ, তবু তুমি মম জীবনস্বামী ॥ না জানিয়া পথ ভ্রমিতেছি পথে আপন গরবে অসীম জগতে। তবু স্নেহনেত্র জাগে ধ্রুবতারা, তব শুভ আশিস আসিছে নামি ॥ রাগ: বেহাগ তাল: ঝাঁপতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩০০রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১৮৯৪ স্বরলিপিকার: কাঙ্গালীচরণ সেন
আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে
আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে, আসে বৃষ্টির সুবাস বাতাস বেয়ে॥ এই পুরাতন হৃদয় আমার আজি পুলকে দুলিয়া উঠিছে আবার বাজি নূতন মেঘের ঘনিমার পানে চেয়ে॥ রহিয়া রহিয়া বিপুল মাঠের ‘পরে নব তৃণদলে বাদলের ছায়া পড়ে। ‘এসেছে এসেছে’ এই কথা বলে প্রাণ, ‘এসেছে এসেছে’ উঠিতেছে এই গান– নয়নে এসেছে, হৃদয়ে এসেছে ধেয়ে॥ Abar eseeche ashar
না বুঝে কারে তুমি ভাসালে আঁখিজলে
না বুঝে কারে তুমি ভাসালে আঁখিজলে। ওগো কে আছে চাহিয়া শূন্য পথপানে, কাহার জীবনে নাহি সুখ, কাহার পরান জ্বলে। পড় নি কাহার নয়নের ভাষা, বোঝ নি কাহার মরমের আশা, দেখ নি ফিরে, কার ব্যাকুল প্রাণের সাধ এসেছ দ’লে। শিল্পীঃশাকিলা জাফর

