| আরো চাই যে, আরো চাই গো– আরো যে চাই।
ভাণ্ডারী যে সুধা আমায় বিতরে নাই ॥ সকালবেলার আলোয় ভরা এই-যে আকাশ বসুন্ধরা এরে আমার জীবন-মাঝে কুড়ানো চাই– সকল ধন যে বাইরে আমার, ভিতরে নাই ॥ প্রাণের বীণায় আরো আঘাত, আরো যে চাই। গুণীর পরশ পেয়ে সে যে শিহরে নাই। দিনরজনীর বাঁশি পূরে যে গান বাজে অসীম সুরে তারে আমার প্রাণের তারে বাজানো চাই। আপন গান যে দূরে তাহার, নিয়ড়ে নাই ॥ |
রাগ: রামকেলী তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ৮ চৈত্র, ১৩২০ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ২২ মার্চ, ১৯১৪ রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Articles
ঐ কে আমায় ফিরে ডাকে
ঐ কে আমায় ফিরে ডাকে। ফিরে যে এসেছে তারে কে মনে রাখে। আমি চলে এনু বলে কার বাজে ব্যথা। কাহার মনের কথা মনেই থাকে। আমি শুধু বুঝি সখী, সরল ভাষা, সরল হৃদয় আর সরল ভালোবাসা। তোমাদের কত আছে, কত মন প্রাণ, আমার হৃদয় নিয়ে ফেলো না বিপাকে। OIi ke amay fire Dake
কেহ কারো মন বোঝে না, কাছে এসে সরে যায়
কেহ কারো মন বোঝে না, কাছে এসে সরে যায়। সোহাগের হাসিটি কেন চোখের জলে মরে যায়|| বাতাস যখন কেঁদে গেল প্রাণ খুলে ফুল ফুটিল না, সাঁঝের বেলা একাকিনী কেন রে ফুল ঝরে যায়|| মুখের পানে চেয়ে দেখো, আঁখিতে মিলাও আঁখি____ মধুর প্রাণের কথা প্রাণেতে রেখো না ঢাকি। এ রজনী রহিবে না, আর কথা হইবে না____ […]
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে পথিকেরে লহো ডাকি তব মন্দিরের এক ধারে।। বনপথ হতে, সুন্দরী, এনেছি মল্লিকামঞ্জলী তুমি লবে নিজ বেণীবন্ধে মনে রেখেছি এ দুরাশারে।। কোনো কথা নাহি ব’লে ধীরে ধীরে ফিরে যাব চলে। ঝিল্লিঝঙ্কৃত নিশীথে পথে যেতে বাঁশরিতে শেষ গান পাঠাব তোমা-পানে শেষ উপহারে।। Borsonmondrito ondhokare wshechi tomai e dare

