নিজের মাঝেই লুকোতে চাই নিজেই আমি
কই লুকোবো আড়াল খুঁজি, অস্তগামী
আলোর গোলক নামছে নিচে, নীল পিরিচে
ডিমের শোভা দেখছি বসে; অনেক দূরে তারা খসে
মিলিয়ে গেল অস্তাচলে।
হঠাত্ শুনি নাম ধরে কে ডাকছে আমায়?
এই তো আমি এই পৃথিবীর একটি কোণে
দাঁড়িয়ে আছি সঙ্গোপনে।
গোপনও নয়, আলোর নিচে খুঁজছি আমি
হারিয়ে যাওয়া চাবি আমার। সেই চাবিতে
খুলবো তালা, দাবি আমার।
আমার কানে ঠোঁট লাগিয়ে বললো কারা
Related Articles
রাশিয়ার চিঠি- ১১
পিছিয়ে-পড়া জাতের শিক্ষার জন্যে সোভিয়েট রাশিয়ায় কীরকম উদ্যোগ চলছে সে কথা তোমাকে লিখেছি। আজ দুই-একটা দৃষ্টান্ত দেওয়া যাক। উরাল পর্বতের দক্ষিণে বাষ্কির্দের বাস। জারের আমলে সেখানকার সাধারণ প্রজার অবস্থা আমাদের দেশের মতোই ছিল। তারা চির-উপবাসের ধার দিয়ে দিয়েই চলত। বেতনের হার ছিল অতি সামান্য, কোনো কারখানায় বড়োরকমের কাজ করবার মতো শিক্ষা ছিল না,অবস্থাগতিকে তাদের ছিল […]
আলফা ফিমেল বিড়ালিনী
ক্যাটওয়াকে শোস্টপার, শব্দহীন আলতো স্টিলেটো ফেলে দেহের আলোয় মেলে ধরছিস তুই বাঁকের বদলগুলো হাসির হদিস তুলে, ঠিক যেন ইমলিতলার তিন তলা থেকে বারবার ভাসাচ্ছিস দু’থাবার তুলোট ম্যাজিক, অবন্তিকা, আলফা ফিমেল বিড়ালিনী, কোলে নিয়ে আদর করিস যাকে তারই চরিত্র তোকে চেপে ধরে কালো শাদা বাদামি ধূসর নক্ষত্র-ক্লোনিং চোখে অর্গলছেঁড়া তোর লিভ-ইন কোনো পৌরাণিক ঋষির রেশমি ঠোঁটে […]
অদৃশ্য বাঁধন
কোন এক নিঝুম রাতে যখন ঘুম হারিয়েছিল মেঘের দেশে যখন শরীরের সব শিরা-উপশিরায় জমাট বেধেছিল ক্লান্তি ঠিক তখনই খুঁজে পেয়েছিলাম তোমায়, মুখ-পুস্তকের নির্লিপ্ত পাতায় । মনে হচ্ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মোহ আমি ছুঁতে চলেছি হাতের মুঠোয় যেন একরাশ ছায়াপথ ভেশে যাচ্ছিল প্রতি মিনিটে, বন্ধুত্বের হাতটা কিভাবে যেন তোমায় ছুঁয়ে দিল একদিন । তারপর শুরু হল […]

