দোষী করিব না, করিব না তোমারে
আমি নিজেরে নিজে করি ছলনা।
মনে মনে ভাবি ভালোবাসো,
মনে মনে বুঝি তুমি হাসো,
জান এ আমার খেলা–
এ আমার মোহের রচনা ॥
সন্ধ্যামেঘের রাগে অকারণে ছবি জাগে,
সেইমতো মায়ার আভাসে মনের আকাশে
হাওয়ায় হাওয়ায় ভাসে
শূন্যে শূন্যে ছিন্নলিপি মোর
বিরহমিলনকল্পনা ॥
Related Articles
নীলাম্বরী শাড়ি পরি নীল যমুনায়
নীলাম্বরী শাড়ি পরি নীল যমুনায় কে যায় কে যায় কে যায় যেন জলে চলে থল-কমলিনী ভ্রমর নূপুর হয়ে বোলে পায় পায়। কলসে কঙ্কনে রিনিঠিনি ঝনকে চমকায় উন্মন চম্পা বনকে দলিত অঞ্জন নয়নে ঝলকে পলকে খঞ্জন হরিণী লুকায়। অঙ্গের ছন্দে পলাশ মাধবী অশোক ফোটে নূপুর শুনি বনতুলসীর মঞ্জরী উলসিয়া ওঠে। মেঘ বিজড়িত রাঙা গোধূলি নামিয়া এল […]
আমারে দিই তোমার হাতে
আমারে দিই তোমার হাতে নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ দিনে দিনেই ফুল যে ফোটে, তেমনি করেই ফুটে ওঠে জীবন তোমার আঙিনাতে নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ বিচ্ছেদেরই ছন্দে লয়ে মিলন ওঠে নবীন হয়ে। আলো-অন্ধকারের তীরে হারায়ে পাই ফিরে ফিরে, দেখা আমার তোমার সাথে নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ রাগ: ভৈরবী তাল: তেওরা রচনাকাল […]
আইল ঋতুরাজ সজনি
আইল ঋতুরাজ সজনি, জ্যোৎস্নাময় মধুর রজনি, বিপিনে কলতান মুরলী উঠিল বাজি। মৃদুমন্দসুগন্ধপবনশিহরিত তব কুঞ্জভবন, কুহু কুহু কুহু ললিততানমুখরিত বনরাজি। পরো সখী পরো নীলাম্বর, পরো সখী ফুলমালা; চলো সখী চলো কুঞ্জে চলো, বিরহবিধুরা বালা। করিগে চলো কুসুমচয়ন, রচি গে চলো পুষ্পশয়ন, ফিরিবে তব নাথ সজনি, হৃদয়ে তব আজি।

