দুলে উঠছে ফুলের অজস্র পতাকা
উধাও ছাত্রদের মাঠে
ঘাসের বেয়োনেটগুলো আকাশের দিকে স্থির
পাশেই
ছিন্ন একটা স্তনের বোঁটা মুখে
সমস্ত নিস্তব্ধতায়
দীর্ঘ ছায়া ফেলে
সৈনিক
সূর্যাস্তের প্রতিফলন তার দাঁতে
Related Articles
উৎসর্গ
১৩. উৎসর্গ আমার কবিতা আমি দিয়ে যাবো আপনাকে, তোমাকে ও তোকে। কবিতা কি কেবল শব্দের মেলা, সংগীতের লীলা? কবিতা কি ছেলেখেলা, অবহেলা রঙিন বেলুন? কবিতা কি নোটবই, টু-ইন-ওয়ান, অভিজাত মহিলা -সেলুন? কবিতা তো অবিকল মানুষের মতো চোখ-মুখ-মন আছে, সেও বিবেক শাসিত, তারও আছে বিরহে পুষ্পিত কিছু লাল নীল ক্ষত। কবিতা তো রূপান্তরিত শিলা, গবেষণাগারে নিয়ে […]
অথচ
তোমাকে দেখে অবাক হয়ে যাই বারবার। এত আক্রমণ পরস্পরবিরোধী এত শোকমিছিলের মধ্যেও কী অনায়াসে বুনে যাচ্ছ লাল পশমের শৃঙ্খলা। উদ্ভিদের চেয়ে নীরব, ছাপানো মহাভারতের চেয়ে উদাসীন। অথচ পিছনের দেয়ালেই রক্তছাপ অথচ বুকের শাড়ি সরালেই অনাবৃষ্টির চৌচির।
কোনোদিনই পাবে না আমাকে
চন্দ্রমল্লিকার মাংস ঝরে আছে ঘাসে ‘সে যেন এখনি চলে আসে’ হিমের নরম মোম হাঁটু ভেঙে কাৎ পেট্টলের গন্ধ পাই এদিকে দৈবাৎ কাছাকাছি নিজের মনেরই কাছে নিত্য বসে আছি দেয়ালে দেয়ালে হাটের কাচকড় কুপি অনেকেই জ্বালে নিভন্ত লন্ঠন অস্তিত্ব সজাগ করে বারান্দার কোণ বসে থাকে ‘কোনদিন পাবে না আমাকে— কোনদিনই পাবে না আমাকে!

