এই এক ছবি দেখি, দিন রাত দুর্বোধ্য আয়নায়
বিকেলের মতো এক ক্লান্ত নারী রহস্য ভিতরে ;
কিংবা আমাদের মন আছে কিনা, অস্ফুট বার্তায়
প্রশ্ন শুনি যেন ; কিংবা যতটুকু এ হৃদয়ে ধরে
ততটুকু নিতে গিয়ে দেখি ছবি অগাধ গভীর
কোথায় যে নিয়ে যায়? তারপর সকলি নিবিড়
চেতনা চেতনা শুধু! এক ছবি বহু ছবি হয়
তখন কি? তখনো কি নিরুত্তর কিছু প্রশ্ন থাকে?
পৃথিবীর সব নিয়ে, তবু যেন সব পাওয়া নয়
এমনি অভাব?…যারা আয়নার ক্লান্ত মুখ রাখে
তারা তো একটি মেয়ে; তবু তারা কেমন ছড়ায়
সর্বত্র, সর্বত্র তারা অব্যর্থ অস্বস্তি রেখে যায়
চিল ঘরে, রাস্তায়, এভেন্যুয়ে উদ্বাস্তু মিছিলে
অথবা প্রথম-প্রেম-গুঞ্জনে কি বিবাহসভায়!
Related Articles
মেঘচিঠি
মেঘ, কেমন আছ? মনে পড়ে আমায় ? ভুলে গেছ ? জানো, তোমার সাথে আমার প্রেম ছিল না ! কোনদিন, মুখ ফুটে বলতেই পারিনি তোমাকে ভেবেছি চলে যাবে, কিন্তু পুরো শহর আমাদের সম্পর্ক টাকে ধরেই নিয়েছিল এই তো হয়ে গেলো, আনুষ্ঠানিকতা শুধু সময় মাত্র ! জানতে তুমি, কিছুটা আমিও; কিন্তু দেখো, কিছুই হল না, কিছুই না […]
শুধু কবিতার জন্য
শুধু কবিতার জন্য এই জন্ম, শুধু কবিতার জন্য কিছু খেলা, শুধু কবিতার জন্য একা হিম সন্ধেবেলা ভূবন পেরিয়ে আসা, শুধু কবিতার জন্য অপলক মুখশ্রীর শান্তি একঝলক; শুধু কবিতার জন্য তুমি নারী, শুধু কবিতার জন্য এত রক্তপাত, মেঘে গাঙ্গেয় প্রপাত শুধু কবিতার জন্য, আরো দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে লোভ হয়। মানুষের মতো ক্ষোভময় বেঁচে থাকা, মুধু কবিতার […]
যুগল জীবনী
৪৬. যুগল জীবনী আমি ছেড়ে যেতে চাই, কবিতা ছাড়ে না। বলে,–’কি নাগর এতো সহজেই যদি চলে যাবে তবে কেন ঘর বেঁধেছিলে উদ্ধাস্তু ঘর, কেন করেছিলে চারু বেদনার এতো আয়োজন। শৈশব কৈশোর থেকে যৌবনের কতো প্রয়োজন উপেক্ষার ‘ডাস্টবিনে’ ফেলে মনে আছে সে-ই কবে চাদরের মতো করে নির্দ্বিধায় আমাকে জড়ালে, আমি বাল্য-বিবাহিতা বালিকার মতো অস্পষ্ট দু’চোখ তুলে […]

