এই এক ছবি দেখি, দিন রাত দুর্বোধ্য আয়নায়
বিকেলের মতো এক ক্লান্ত নারী রহস্য ভিতরে ;
কিংবা আমাদের মন আছে কিনা, অস্ফুট বার্তায়
প্রশ্ন শুনি যেন ; কিংবা যতটুকু এ হৃদয়ে ধরে
ততটুকু নিতে গিয়ে দেখি ছবি অগাধ গভীর
কোথায় যে নিয়ে যায়? তারপর সকলি নিবিড়
চেতনা চেতনা শুধু! এক ছবি বহু ছবি হয়
তখন কি? তখনো কি নিরুত্তর কিছু প্রশ্ন থাকে?
পৃথিবীর সব নিয়ে, তবু যেন সব পাওয়া নয়
এমনি অভাব?…যারা আয়নার ক্লান্ত মুখ রাখে
তারা তো একটি মেয়ে; তবু তারা কেমন ছড়ায়
সর্বত্র, সর্বত্র তারা অব্যর্থ অস্বস্তি রেখে যায়
চিল ঘরে, রাস্তায়, এভেন্যুয়ে উদ্বাস্তু মিছিলে
অথবা প্রথম-প্রেম-গুঞ্জনে কি বিবাহসভায়!
Related Articles
অকর্মণ্য
ইলশেগুঁড়ি, ঝমঝমে বৃষ্টি দিনমান অবিরাম। শিক্ত বসনা যুবতী গাছেরা রশ্মির অপেক্ষায় নিরুপায়, মাতাল বাতাস নাছোড়বান্দা। মাঠ জুড়ে ভেজা সবুজের কার্পেট দামাল জলের খেলাঘর। পানারি ভাসানো ব্যস্ত নয়ানজুলিতে মাটির ছেলেদের কই উৎসব। ধবল গাই তাড়িয়ে ঘর ফিরছে মুন্ডুরি। টিনের ছাদে জলতরঙ্গ উত্তাল সঙ্গীতে মাতোয়ারা পরিবেশ শুধু আমার কিছু করার নেই। ক্লান্ত কলমের স্ট্রাইক, একঘেয়ে ফেসবুকও ভেঙচি […]
পৌষের মাঠও
এক মাঘে শীত যায় না, দিন আসছে বুঝলে হে, মৃতেরা যখন জেগে উঠবে, বলে রাখছি সমস্ত দিনের গুরুভার তোমাকেই বইতে হবে বাড়ছে দিনের তাপমাত্রা, যে-সব পাজির পা-ঝাড়ারা রৌদ্র আর জ্যোত্স্নাকে এক করে দ্যাখে, প্রতিসরণের বিভাবে হঠাত্ সংঘাতুর হয়ে যায়, জেনো শীত মানেই তুষারাচ্ছন্ন নয়, পৌষের মাঠও পোড়ে সূর্যের ঠাণ্ডা রোদ্দুরে। …
তুমি বরং কুকুর পোষো
তুমি বরং কুকুর পোষো, প্রভুভক্ত খুনসুটিতে কাটবে তোমার নিবিড় সময়, তোর জন্য বিড়ালই ঠিক, বরং তুমি বিড়ালই পোষো খাঁটি জিনিস চিনতে তোমার ভুল হয়ে যায় খুঁজে এবার পেয়েছ ঠিক দিক ঠিকানা লক্ষী সোনা, এখন তুমি বিড়াল এবং কুকুর পোষো শুকরগুলো তোমার সাথে খাপ খেয়ে যায়, কাদা ঘাটায় দক্ষতা বেশ সমান সমান। ঘাটাঘাটির ঘনঘটায় তোমাকে খুব […]

