অন্যান্য

এলেবেলে-৫

আমাদের গ্রামে কারো বাড়িতে ছেলে বা মেয়ের বিয়ে ঠিক হলে বিয়ের অনুষ্ঠান কি ভাবে হবে, কতো জন লোক খাবে ? খাওয়ার কি কি আইটেম হবে ? সেসব নিয়ে গ্রামের মুরুব্বীদের মতামত নিতে হয় আঞ্চলিক ভাষায় যাকে বলে “পানচ্ছল্লা”। এটার অনেক রকম ব্যাখা আছে। যেমন পান খেয়ে খেয়ে চ্ছলা (পরামর্শ)।

সত্যি কথা বলতে এর কোন গুরুত্বই নেই। তারপরও মুরুব্বীদের ডাকতে হবে উনাদের পরামর্শ নিতে হবে। না হলে উনারা বিয়ে অনুষ্ঠান বয়কটও করতে পারেন। উনাদের পরামর্শ কোন কাজেই আসে না, আবার উনাদের পরামর্শ মতো অনুষ্ঠানও করে না কেউ।

এরকম অনেকে আমার কাছে মাঝে মাঝে পরামর্শ চান (আমি নিজেকে তখন খুব গুরুত্বপূর্ণ ভাবি)। আমি পরামর্শও দেই! যদিও জানি তা কথার কথা। পরামর্শ দেওয়ার মতো কোন যোগ্যতাই আমার নেই কখনো ছিলোও না। বুঝতে পারি সিদ্ধান্তটা অনেক আগেই নেওয়া হয়ে গেছে।

বোকা সাজার মধ্যেও এক ধরনের আনন্দ আছে …

মিতা
মিতা
কোথায় যে যাই,কী যে চাই কিছুই বুঝতে পারি না। কোনব্যাপারেই মনসংযোগ করতে পারি না।কী কোন কাজে,কী কোন যায়গাতে,কী কোন পুরুষ বা নারীতে আদৌ একনিষ্ট হতে পারি না। গন্তব্যে পৌঁছে গেলেই মনে হয় এখানে তো চাইনি আসতে।তাই পৌঁছে আবার রওনা হই,কোথায় যাব,যেতে চাই তা না জেনেই। যেখানে আদর পাই, ভালোবাসা পাই, যত্ন পাই, যেখানে প্রাধান্য পাই; ঠিক সেখান থেকেই ভালোবাসার, সন্মানের, আঙ্গুল থেকে আঙ্গুল ছাড়িয়ে নিয়েই আমি অন্যত্র দৌঁড়ে যাই,অন্যত্র পৌঁছে আবার দৌড়াই। ফিরে যখন যাই সেই নিশ্চিত উষ্ণতার দিকে তখন পৌঁছে দেখি আমার আগেই সেখানে পৌঁছে গেছে শীতের হিমেল রাত। দিন ফেলে রাতে দৌড়াই; রাত ফেলে দিনে। শরীর ফেলে মনে দৌড়াই; মন ফেলে শরীরে।সব পাই,আবার কিছুমাত্রও পাই না।

3 thoughts on “এলেবেলে-৫

Comments are closed.