অন্যান্য

এলেবেলে -১৬

একটু আগে ৫০ কিমি স্পীডে গাড়ি চালিয়ে বাসায় ফিরছিলাম … কিছুক্ষণ পর দেখি পিছনে একটি পুলিশের পেট্রোল কার যা খুবই স্বাভাবিক। পাশের সহযাত্রীর সাথে মজাও করলাম “পিছনে দেখি মামার গাড়ি” … কিছু দূর যাওয়ার পর শুনতে পেলাম আমার গাড়ির নাম্বার বলে পেছন থেকে আমাকে থামতে বলা হচ্ছে।

অবাক হলাম … স্পীড লিমিট মেনে চলছি ,সিট বেল্ট বাঁধা আছে।
( পাশের সহযাত্রীরও সিট বেল্ট বাঁধা আছে )
থামলাম।
একজন পুলিশ ড্রাইভিং সিটের পাশে এসে বললেন “নাম্বার প্লেটের উপরের লাইটটা জ্বলছে না একটু নিশ্চিত হবেন কি ?*
নেমে দেখলাম …
হয়তো খেয়াল করেন নাই অথবা অল্প আগেই লাইটটি নষ্ট হয়ে গেছে।

আমাকে একটা স্লিপ ধরিয়ে দিলেন যাতে লেখা আছে জাপানের ট্রাফিক আইনের … ধারা অনুসারে নাম্বার প্লেটের উপরের লাইট বিহীন গাড়ি চালানো অপরাধ। তবে প্রাথমিক নির্দেশনা অনুসারে এর পর গাড়ি ব্যবহারের আগেই লাইটটি চালু করতে হবে এবং তারপর স্থানীয় পুলিশ ষ্টেশানে রিপোর্ট করতে হবে।

মিতা
মিতা
কোথায় যে যাই,কী যে চাই কিছুই বুঝতে পারি না। কোনব্যাপারেই মনসংযোগ করতে পারি না।কী কোন কাজে,কী কোন যায়গাতে,কী কোন পুরুষ বা নারীতে আদৌ একনিষ্ট হতে পারি না। গন্তব্যে পৌঁছে গেলেই মনে হয় এখানে তো চাইনি আসতে।তাই পৌঁছে আবার রওনা হই,কোথায় যাব,যেতে চাই তা না জেনেই। যেখানে আদর পাই, ভালোবাসা পাই, যত্ন পাই, যেখানে প্রাধান্য পাই; ঠিক সেখান থেকেই ভালোবাসার, সন্মানের, আঙ্গুল থেকে আঙ্গুল ছাড়িয়ে নিয়েই আমি অন্যত্র দৌঁড়ে যাই,অন্যত্র পৌঁছে আবার দৌড়াই। ফিরে যখন যাই সেই নিশ্চিত উষ্ণতার দিকে তখন পৌঁছে দেখি আমার আগেই সেখানে পৌঁছে গেছে শীতের হিমেল রাত। দিন ফেলে রাতে দৌড়াই; রাত ফেলে দিনে। শরীর ফেলে মনে দৌড়াই; মন ফেলে শরীরে।সব পাই,আবার কিছুমাত্রও পাই না।

5 thoughts on “এলেবেলে -১৬

  1. কেবল আইন থাকলে হবে না; প্রয়োগও প্রয়োজন।
    আইন যত কঠিন হবে পাবলিক ততো টাইট থাকবে। https://www.shobdonir.com/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_smile.gif

  2. হা হা হা কি হাস্যকর পুলিশ ওরা, কোন টাকা না নিয়েই ছেড়ে দিল। জাপানিজরা বোকা জানতাম, মাগার ওদের পুলিশ যে এতটা বোকা তা জানতাম না!!

Comments are closed.