অন্যান্য

এলেবেলে-১৮

আমার কোম্পানীতে ১০ জন মহিলা এসেছেন চীন থেকে এরা ট্রেনিং এর নাম করে তিন বছর জাপানে কাজ (বিদেশী শ্রমিক হিসাবে ) করবেন। ওদের সাথে একজন চীনা কোম্পানীর অফিসিয়াল ছিলেন। আমিও বিদেশী দেখে আমার সাথে নিজ থেকেই কথা বলা শুরু করলেন।

তিনি আমাকে চীনের অনেক উন্নতির খবর শোনালেন। দশ বছর আগে যারা সাইকেলে চড়তো; তাদের এখন নিজস্ব গাড়ী আছে …

আমাদের কোম্পানীতে কর্মী সংকটের কারনেই জাপানের এই আইনী সুবিধা ব্যবহার করে ওদেরকে কর্মী হিসাবে আনা হয়েছে। তাই মুচকি হেসে চুপ রইলাম।
আমার খুব বলতে ইচ্ছা হচ্ছিলো “চীনের এতো উন্নতির পরো আপনারা কামলা দিতে বিদেশে আসছেন কেন ?”

আমাদের দেশের মিডিয়া গুলোতে চীনের উন্নয়নের খবরই শুধু দেখতে পাবেন। ওদের গ্রাম গুলো বাংলাদেশের চেয়েও অনুন্নত।

মিতা
মিতা
কোথায় যে যাই,কী যে চাই কিছুই বুঝতে পারি না। কোনব্যাপারেই মনসংযোগ করতে পারি না।কী কোন কাজে,কী কোন যায়গাতে,কী কোন পুরুষ বা নারীতে আদৌ একনিষ্ট হতে পারি না। গন্তব্যে পৌঁছে গেলেই মনে হয় এখানে তো চাইনি আসতে।তাই পৌঁছে আবার রওনা হই,কোথায় যাব,যেতে চাই তা না জেনেই। যেখানে আদর পাই, ভালোবাসা পাই, যত্ন পাই, যেখানে প্রাধান্য পাই; ঠিক সেখান থেকেই ভালোবাসার, সন্মানের, আঙ্গুল থেকে আঙ্গুল ছাড়িয়ে নিয়েই আমি অন্যত্র দৌঁড়ে যাই,অন্যত্র পৌঁছে আবার দৌড়াই। ফিরে যখন যাই সেই নিশ্চিত উষ্ণতার দিকে তখন পৌঁছে দেখি আমার আগেই সেখানে পৌঁছে গেছে শীতের হিমেল রাত। দিন ফেলে রাতে দৌড়াই; রাত ফেলে দিনে। শরীর ফেলে মনে দৌড়াই; মন ফেলে শরীরে।সব পাই,আবার কিছুমাত্রও পাই না।

3 thoughts on “এলেবেলে-১৮

  1. আমিও শুনেছি স্যার।
    চীনের উন্নয়ন যতই হোক না; ওদের গ্রাম গুলো বাংলাদেশের চেয়েও অনুন্নত।

  2. ওদের গ্রাম কতটা উন্নত তা দিয়ে কিন্তু আগামীতে সারা বিশ্বের অর্থনিতী চিনের হাত থেকে কেও ছিনিয়ে নিতে পারবে না। চীনের সাথে টেক্কা দেয়ার জন্য আমেরিকার পাঠশালাগুলিতে ইতিমধ্যে ম্যান্ডারিন ভাষা বাধ্যতামূলক করেছে।

Comments are closed.