অল্পকথা ডট কম

স্বর্নালী দিনের স্পর্শ

সাথে থাকুন

Download

গান শুনতে এখানে ক্লিক »করুন !

Member Login

Lost your password?

Not a member yet? Sign Up!

Archive |জুলাই,২৮, ২০১৫

যে ফুলে শিশির জমে

লিখেছেনঃ

দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আনন্দগ্রামের সংস্কৃতি কেন্দ্রে পৌঁছাতে প্রায় রাত বারোটা হয়ে যায়। ‘উইমেন্স ইনিসিয়েটিভ ফর পিস ইন সাউথ এশিয়া’ শান্তি সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শান্তি বিষয়ে সাউথ এশিয়ার দেশগুলোর নারী লেখকদের সম্মেলন। বিমানবন্দরের বাইরে এসে দাঁড়ালে এক ঝলক ঠা-া বাতাস এসে নাকে ঢোকে। যদিও মাসটা এপ্রিল, টি.এস. এলিয়টের ‘ওয়েস্টল্যান্ড’-এর ক্রুরতম মাস। বিমানবন্দরে ‘উইপসা’ লেখা কাগজ […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

যে ফুলে শিশির জমে তে মন্তব্য বন্ধ

কালীদহ

লিখেছেনঃ

সব কিছুই জানেন তিনি, শুধু জানেন না আমাকে। খরতাপে পুড়ে যায় দেহ, চৈত্র দাহে প্রেম। কাঙ্ক্ষিত আশা। আমাকে না জানিয়ে কাঁদে ঘন কালো মেঘ, মধ্যযামে ভেজা কণ্ঠে রাত জাগা, শিয়াল, ইঁদুর। আয় কাছে আয়, তোকে বৃষ্টি দেব কপালে চন্দন আষাঢ়, শ্রাবণে। আমি নিশ্চিত কেউ কিছু দেবে না আমাকে, শুধু জানি হয়তো বা কেউ থাকবেন জেগে […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

কালীদহ তে মন্তব্য বন্ধ

দখলীস্বত্বের বাড়ি

লিখেছেনঃ

সেতুকে ওপরে রেখে নদী বয়ে যায়। নদীকে গভীরে রেখে সেতুদের আড়ি। তাই কি জলের সঙ্গে স্রোত দাঁড় বায়? দ্বীপ-চরে বেড়ে ওঠে একাকিনী বাড়ি। বাঁকা জল আঁকা জল, মাঝখানে বাড়ি। গৃহস্থের চালাবাড়ি, হে নগরবাড়ি! আড়ালে ঘুমটো-মুখ, হে ব-দ্বীপবাড়ি। দখলীস্বত্বের বাড়ি, খুব দরকারি। ভিটি ছেড়ে মাটি ছেড়ে মাঝি গলা ছাড়ে। সাঁতরায় ডিঙিনৌকা। গাঙ দেয় পাড়ি। দখলীস্বত্বের বাড়ি, […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

দখলীস্বত্বের বাড়ি তে মন্তব্য বন্ধ

বিনা খালাদের বাড়ি

লিখেছেনঃ

লিচুপাতা থেকে পিছলে পড়ছে সকালবেলার রোদ। একটুখানি হাওয়া আছে। সেই হাওয়া খোকন মামা মিন্টু মামার মুখের ঘাম মুছতে পারেনি। এই সকালেই কোথায় কোথায় যেন ছোটাছুটি করে এসেছেন দুজনে। ঘাড়ে-গলায় ঘাম, নাকের তলায় ঘাম। ঘামকণায় চিকচিক করছে মুখ। খোকন মামার হাতে গুলতি, মিন্টু মামা উৎসুক হয়ে তাকিয়ে আছেন তাঁর দিকে। লিচুডালে বসেছে শালিক পাখি। গুলতির কালো […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

বিনা খালাদের বাড়ি তে মন্তব্য বন্ধ

বিশেষের শেষ নেই

লিখেছেনঃ

আমাদের দেশে সাধারণত স্ত্রীরা তাঁদের স্বামীকে অন্যের কাছে উপস্থাপনের সময় বলেন, ‘আমার বর অমুক’ কিংবা পাশে স্বামীকে দেখিয়ে বলেন, ‘ও হচ্ছে আমার বর’ ইত্যাদি। আবার ভিন্নভাবে বলতে গেলে বিয়ের পাত্র-পাত্রীকেও আমরা বলি বর-কনে। কনে মানে স্ত্রী নয়; স্ত্রী করার জন্য নির্বাচিত পাত্রী। তেমনি বরও হচ্ছে ভবিষ্যতের স্বামী। তার পরও স্বামীকে বর বলতে কেউ কেউ একটু […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

বিশেষের শেষ নেই তে মন্তব্য বন্ধ

কত দূর যেতে হয় জানি না

লিখেছেনঃ

নিঃসঙ্গতা ওর কাছে একটি শব্দ মাত্র নয়। বন্ধুরা যখন ওকে জিজ্ঞেস করে তুই এত চুপচাপ থাকিস কেন? ও উত্তর দেয় না। কেউ কেউ বলে, তোর ভেতরে বোধ হয় একটি মাকড়সা আছে, যেটি অনবরত সুতো ছড়ায়। নাকি রে? ও উত্তর দেয় না। প্রসঙ্গ এড়িয়ে যায়। ও তো জানে ও নিঃসঙ্গতা উপভোগ করে। যে বালকের শৈশব-কৈশোর বালকের […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

কত দূর যেতে হয় জানি না তে মন্তব্য বন্ধ

আমরা ক-ভাই লিখি

লিখেছেনঃ

অনেকেই রসিকতার ছলে বলেই ফেলেন, আপনাদের হায়দার পরিবার তো জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের চাইতেও এগিয়ে আছে। উত্সাহী যুবক-যুবতীসহ বয়েসিদেরও বলতে শুনি, আপনাদের পরিবারের ভাইবোন সকলেই যদি আজ বেঁচে থাকতেন, তাহলে নিশ্চয়ই সবাই কবি, নাট্যকার, গল্পকার, শিল্পী হতে পারতেন। তখন তারা উত্সাহেই জানতে চায় পিতামাতা লেখক ছিলেন কিনা? দাউদ হায়দার কি আপনার বড়ো? না, বলতেই, উত্সাহীদের মধ্য […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

আমরা ক-ভাই লিখি তে মন্তব্য বন্ধ

নতুন প্রজন্মের পাঠিকা

লিখেছেনঃ

সেদিন একটি কুড়ি-একুশের মেয়ে আমার সঙ্গে দেখা করতে এল। বাড়ির কাজের লোকটিকে বহুবার বলেছি উটকো লোককে আপ্যায়ন করে বসার ঘরে বসাবে না। নাম জিজ্ঞাসা করবে, কেন এসেছে জেনে আমাকে জানাবে এবং আমি দেখা করতে সম্মত হলে দরজা খুলে বসতে বলবে। আমি থাকি তিনতলায়, বসার ঘর একতলায়। লিখার সময় কেউ এলে নিচে নেমে দেখেছি, যিনি এসেছেন […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

নতুন প্রজন্মের পাঠিকা তে মন্তব্য বন্ধ

রেশমি

লিখেছেনঃ

বসুন মারুফ সাহেব, বসুন। আমি আর রেশমি ডক্টর কামালের মুখোমুখি বসলাম। কী খবর বলুন। কেমন আছেন? ভালো। ভালো? তাহলে সায়কায়াট্রিস্টের কাছে এসছেন কেন? হা হা হা। কামাল সাহেবের প্রাণখোলা হাসি দেখে আমিও হাসলাম। তবে নিঃশব্দে। রেশমি গম্ভীর। বলুন ম্যাডাম, আপনিও কি ভালো আছেন? রেশমি আমতা গলায় বলল, না মানে… বলুন, আমাকে সব খুলে বলুন। আচ্ছা, […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

রেশমি তে মন্তব্য বন্ধ

পুরস্কার কি পরিষ্কার

লিখেছেনঃ

কথায় বলে, বিপদ নাকি পদে পদেই ঘটতে পারে। তাই কথায় আছে, ‘পদে পদে বিপদ।’ এই পদ বলতে শুধু ‘পা’ বোঝায় না, পদস্থ বলতে উচ্চপদ, অপদস্থ বলতে অপমান, পদোন্নতি বলতে প্রমোশন, পদস্খলন বলতে নৈতিক স্খলন, পদচ্যুত বলতে বরখাস্ত আবার পদক মানে পুরস্কার। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুরস্কার কবিতায়, কবি ধনরত্ন, মনি-মানিক্য না নিয়ে নিজেকে ধন্য মনে করেছিলেন বোদ্ধা […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

পুরস্কার কি পরিষ্কার তে মন্তব্য বন্ধ

ই-মেইলের মাধ্যমে নতুন পোষ্ট-এর জন্য

আপনার ই-মেইল লিখুন

,

জুন ১৪, ২০১৭,বুধবার

Custom Search
আপনার বিজ্ঞাপন !

বাংলা সংবাদপত্র