অল্পকথা ডট কম

স্বর্নালী দিনের স্পর্শ

সাথে থাকুন

Download

গান শুনতে এখানে ক্লিক »করুন !

Member Login

Lost your password?

Not a member yet? Sign Up!

Archive |জুলাই,২৯, ২০১২

ছায়াসঙ্গী

লিখেছেনঃ

প্রতি বছর শীতের সময় ভাবি কিছুদিন গ্রামে কাটিয়ে আসব। দলবল নিয়ে যাব_ হৈচৈ করা যাবে। আমার বাচ্চারা কখনো গ্রাম দেখে নি_ তারা ভারি খুশি হবে। পুকুরে ঝাঁপাঝাঁপি করতে পারবে। শাপলা ফুল শুধু যে মতিঝিলের সামনেই ফুটে না, অন্যান্য জায়গাতেও ফুটে, তাও স্বচক্ষে দেখবে। আমার বেশির ভাগ পরিকল্পনাই শেষ পর্যন্ত কাজে লাগাতে পারি না। এটা কেমন […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

ছায়াসঙ্গী তে মন্তব্য বন্ধ

একটা ছিল সোনার কন্যা

লিখেছেনঃ

একটা ছিল সোনার কন্যা মেঘ বরণ কেশ ভাটি অঞ্চলে ছিল সেই কন্যার দেশ দুই চোখে তার আহারে কি মায়া নদীর জলে পড়ল কন্যার ছায়া। তাহার কথা বলি তাহার কথা বলতে বলতে নাও দৌড়াইয়া চলি। কন্যার ছিল দীঘল চুল তাহার কেশে জবা ফুল সেই ফুল পানিতে ফেইলা কন্যা করল ভুল কন্যা ভুল করিস না ও কন্যা […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

একটা ছিল সোনার কন্যা তে মন্তব্য বন্ধ

বরষার প্রথম দিনে

লিখেছেনঃ

বরষার প্রথম দিনে ঘন কালো মেঘ দেখে, আনন্দে যদি কাঁপে তোমার হৃদয়, সেদিন তাহার সাথে করো পরিচয়, কাছে কাছে থেকেও যে কভু কাছে নয়। জীবনের সব ভুল, যদি ফুল হয়ে যায় যদি কোনোদিন আসে জোছনার আঁচলে ঢাকা, মধুর সময়। তখন কাছে এসো, তাহাকে ভালোবেসো, সেদিন তাহার সাথে করো পরিচয়, কাছে কাছে থেকেও যে কভু কাছে […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

বরষার প্রথম দিনে তে মন্তব্য বন্ধ

আমার ভাঙা ঘরে

লিখেছেনঃ

আমার ভাঙা ঘরে ভাঙা চালা ভাঙা বেড়ার ফাঁকে অবাক জোছনা ঢুইকা পড়ে হাত বাড়াইয়া ডাকে, হাত ইশারায় ডাকে কিন্তু মুখে বলে না আমার কাছে আইলে বন্ধু আমারে পাইবা না। তুমি আমায় ডাকলা নাগো তুমি রইলা দূরে তোমার হইয়া অবাক জোছনা ডাকলো অচিন সুরে। হাত ইশারায় ডাকে কিন্তু মুখে বলে না আমার কাছে আইলে বন্ধু আমারে […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

আমার ভাঙা ঘরে তে মন্তব্য বন্ধ

ও আমার উড়াল পঙ্খী রে

লিখেছেনঃ

ও আমার উড়ল পঙ্খী রে যা যা তুই উড়াল দিয়া যা আমি থাকব মাটির ঘরে, আমার চোক্ষে বৃষ্টি পড়ে তোর হইবে মেঘের উপরে বাসা… [ও] আমার মনে বেজায় কষ্ট সেই কষ্ট হইল পষ্ট দুই চোক্ষে ভর করিল আঁধার নিরাশা তোর হইল মেঘের উপরে বাসা ও আমার উড়ল পঙ্খী রে… মেঘবতী মেঘকুমারী মেঘের উপরে থাক সুখ-দুঃখ […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

ও আমার উড়াল পঙ্খী রে তে মন্তব্য বন্ধ

আনন্দ বেদনার কাব্য

লিখেছেনঃ

বইটির নাম ‘রিক্তশ্রী পৃথিবী’। প্রচ্ছদে একটি মেয়ের মুখের ছবি। মেয়েটি কাঁদছে। তার মুখের পাশে একটি গ্গ্নোব। একটি বিকটদর্শন নর-কঙ্কাল গ্গ্নোবটি বাঁ হাতে জড়িয়ে ধরে আছে। কঙ্কালটির ডান হাতে একগুচ্ছ রজনীগন্ধা। যথেষ্ট জটিলতা। পৃথিবীর রিক্তশ্রী ফুটিয়ে তোলার আয়োজনে কোনো ত্রুটি নেই। এ ধরনের প্রচ্ছদচিত্রের বইগুলোর পাতা সাধারণত উল্টানো হয় না। তবুও অভ্যাসবশেই পাতা উল্টালাম। এবং এক […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

আনন্দ বেদনার কাব্য তে মন্তব্য বন্ধ

একজন মানুষের গল্প

লিখেছেনঃ

অনেকদিন আগে শঙ্খনীল কারাগার নামের একটি বই লিখেছিলাম। সেখানে ভালোবাসাবাসি ছিল, চোখের জল ছিল, কাজেই মেয়ে মহলে ‘লেখক’ নাম হয়ে গেল। শুধু তাই নয়, বারো বছরের এক মেয়ে একটি চিঠি লিখে ফেললো। চিঠি পেয়ে সরাসরি উপস্থিত হলাম ভক্তার বাড়িতে। ভাবখানা এরকম যেন মুখোমুখি বসে আধুনিক সাহিত্য সম্পর্কে জ্ঞান দিয়ে আসব। মেয়ের মা দরজা খুলে দিলেন। […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

একজন মানুষের গল্প তে মন্তব্য বন্ধ

নবাগত নক্ষত্রের আলো (কবি আল মাহমুদ)

লিখেছেনঃ

যে সকল নক্ষত্রের আলো এতদিন দেখেনি পৃথিবী, আজ সেই অক্ষমের চোখ অকস্মাত্ খুলে গেছে আশ্বিনের চাঁদের আঘাতে। পৃথিবীর সমস্ত বিদ্যুত্ আজ পরাজিত, যেন দিগ্বিজয়ী একটি আলোর অশ্ব ছুটে যাচ্ছে, ছুটে যাচ্ছে, ছুটে যাচ্ছে… তার সে অপ্রতিরোধ্য গতির পুলকে, ক্ষুরাঘাতে প্লাবিত হয়েছে বিশ্ব; আমি দগ্ধ ঐশ্বরিকে শব্দহীন,আলোর ঔজ্জ্বল্য চোখে নিয়ে নদীতীরে বসে আছি একা, আমার চতুর্দিকে […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

নবাগত নক্ষত্রের আলো (কবি আল মাহমুদ) তে মন্তব্য বন্ধ

জলিল সাহেবের পিটিশন

লিখেছেনঃ

তিনি হাসিমুখে বললেন, ‘আমি দুজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার বাবা। সেভেনটি ওয়ানে আমার দুটি ছেলে মারা গেছে। আমি অবাক হয়ে তাকালাম। ভদ্রলোকের চেহারা বিশেষত্বহীন। বয়স প্রায় ষাটের কোঠায়। সে তুলনায় বেশ শক্ত-সমর্থ। বসেছেন মেরুদণ্ড সোজা করে। চোখের দৃষ্টি তীক্ষ। চশমা-টশমা নেই। তার মানে, চোখে ভালোই দেখতে পান। আমি বললাম, আমার কাছে কী ব্যাপার? ভদ্রলোক যেভাবে বসেছিলেন, সেভাবেই […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

জলিল সাহেবের পিটিশন তে মন্তব্য বন্ধ

নান্দনিক সৃষ্টিসত্তা

লিখেছেনঃ

দূরত্বটা যে কত কম বা কত বেশি, তা মাপার কোনো উপায় নেই। হয়তো তা মুহূর্তমাত্র, হয়তো তা অনন্তকাল। যে ভুবনে হুমায়ূন প্রবেশ করেছে, তা থেকে ফেরারও কোনো উপায় নেই। স্বীকার্য, হুমায়ূন সেখানে গেছে আমাদের সকলের আগে। যাব; আমরাও যাব। কিন্তু কখন যাব, কীভাবে যাব আমরা জানি না। শেষ পর্যন্ত তার যুদ্ধটা চলছিল ঠিকই; কিন্তু যে […] বিস্তারিত

ট্যাগ সমুহঃ

নান্দনিক সৃষ্টিসত্তা তে মন্তব্য বন্ধ

ই-মেইলের মাধ্যমে নতুন পোষ্ট-এর জন্য

আপনার ই-মেইল লিখুন

,

জুন ১৫, ২০১৭,বৃহস্পতিবার

Custom Search
আপনার বিজ্ঞাপন !

বাংলা সংবাদপত্র